দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ১২ থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। দীর্ঘ আলোচনার পর অর্থ বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই প্রস্তাবে সম্মতি প্রদান করেছে। বর্তমানে এই সুবিধা দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সরকারি কর্মচারীরা চরম আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন। তাদের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাস, মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করা এবং কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত জুন মাসে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে অর্থ সচিবকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। নির্দেশনায় প্রতি মাসের অগ্রগতির প্রতিবেদন জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও রাখা হয়েছে।
মূলত পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে এই রেশন সুবিধার প্রস্তাবটি প্রথম উত্থাপন করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়, রেশন সুবিধা চালু হলে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে। জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা এই পদক্ষেপকে সময়োপযোগী বলে অভিহিত করেছেন। তাদের মতে, এর ফলে সরকারি কর্মচারীদের আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়বে এবং দুর্নীতির প্রবণতা হ্রাসে এটি সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। তবে বিতরণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।
রিপোর্টারের নাম 



















