ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

শেখ পরিবারের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ বাস্তবায়নে ধীরগতি, এখনো নিয়ন্ত্রণে অনেক সম্পত্তি

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদালতের নির্দেশ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও নিম্ন আদালত থেকে এসব সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেওয়া হলেও এখনো বড় একটি অংশ তাদের প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশেষ করে গাজীপুরের ‘টিউলিপ টেরিটরি’সহ বেশ কিছু ভূ-সম্পত্তি এখনো তাদের মনোনীত ব্যক্তিরাই দেখাশোনা করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, শেখ হাসিনা ও তার নিকটাত্মীয়দের ১২৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা ৩৯৪ কোটি টাকা এবং লকারে থাকা ৮৩২ ভরি স্বর্ণালংকার ইতিমধ্যে জব্দ করেছে সরকার। তবে ধানমন্ডির ‘সুধা সদন’ এবং শেখ রেহানার দেবরের নামে থাকা বিপুল পরিমাণ জমি ক্রোকের প্রক্রিয়া এখনো ঝুলে আছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতের রায় বাস্তবায়নে নির্বাহী বিভাগের এমন শিথিলতা ন্যায়বিচারের পথে অন্তরায়। এদিকে আইসিটির প্রসিকিউশন বিভাগ জানিয়েছে, আদালতের আদেশ কার্যকর করার মূল দায়িত্ব এখন সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলায় প্রলয়ংকরী ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৩০০ ছাড়াল, গৃহহীন হাজারো মানুষ

শেখ পরিবারের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ বাস্তবায়নে ধীরগতি, এখনো নিয়ন্ত্রণে অনেক সম্পত্তি

আপডেট সময় : ১০:১৩:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার আদালতের নির্দেশ পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও নিম্ন আদালত থেকে এসব সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেওয়া হলেও এখনো বড় একটি অংশ তাদের প্রভাবশালীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বিশেষ করে গাজীপুরের ‘টিউলিপ টেরিটরি’সহ বেশ কিছু ভূ-সম্পত্তি এখনো তাদের মনোনীত ব্যক্তিরাই দেখাশোনা করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, শেখ হাসিনা ও তার নিকটাত্মীয়দের ১২৪টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে থাকা ৩৯৪ কোটি টাকা এবং লকারে থাকা ৮৩২ ভরি স্বর্ণালংকার ইতিমধ্যে জব্দ করেছে সরকার। তবে ধানমন্ডির ‘সুধা সদন’ এবং শেখ রেহানার দেবরের নামে থাকা বিপুল পরিমাণ জমি ক্রোকের প্রক্রিয়া এখনো ঝুলে আছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আদালতের রায় বাস্তবায়নে নির্বাহী বিভাগের এমন শিথিলতা ন্যায়বিচারের পথে অন্তরায়। এদিকে আইসিটির প্রসিকিউশন বিভাগ জানিয়েছে, আদালতের আদেশ কার্যকর করার মূল দায়িত্ব এখন সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর।