ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ব্যাংকিং সেবায় ১৪টি নতুন ফি আরোপের প্রস্তাব, বাড়ছে গ্রাহকের ব্যয়

দেশের ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবা আরও ব্যয়বহুল হতে যাচ্ছে। বর্তমানে যেসব সেবা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, এমন ১৪টি খাতে নতুন করে ফি বা চার্জ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে ব্যাংকগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)। একই সঙ্গে বিদ্যমান বিভিন্ন সেবার চার্জ বাড়ানোর সুপারিশও করা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে আমানতকারী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের ব্যাংকিং ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাবে।

এবিবির প্রস্তাব অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত বা নিষ্ক্রিয় (ডরম্যান্ট) ব্যাংক হিসাব পুনরায় সচল করতে ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে এই সেবাটি বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এ ছাড়া ব্যাংক কাউন্টার থেকে নগদ অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা ও চার্জ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, মাসে তিনবার পর্যন্ত নগদ উত্তোলন বিনামূল্যে করা যাবে; তবে চতুর্থ থেকে দশমবার পর্যন্ত প্রতিবার ১০০ টাকা এবং দশবারের বেশি উত্তোলনে প্রতিবার ৩০০ টাকা ফি দিতে হবে। ব্যবসায়িক হিসাবের ক্ষেত্রেও মাসে ২০ বারের বেশি উত্তোলনে বাড়তি চার্জের সুপারিশ করা হয়েছে।

ঋণ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে এবিবি। চলমান ঋণের ক্ষেত্রে বার্ষিক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মনিটরিং ফি, আমদানিকারকদের বায়ার্স ক্রেডিট সুবিধার বিপরীতে ১ শতাংশ ফি এবং বড় করপোরেট ঋণের ক্ষেত্রে ডিল স্ট্রাকচারিং ফি হিসেবে ১ শতাংশ চার্জ নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঋণের সুদের বাইরে অতিরিক্ত ঝুঁকি প্রিমিয়াম বাবদ আরও ১ শতাংশ ফি এবং নগদ বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রির ক্ষেত্রে ২ শতাংশ কমিশন আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে বৃষ্টির দাপট থাকবে আরও ৫ দিন, ৬ বিভাগে অতিভারি বর্ষণের সতর্কতা

ব্যাংকিং সেবায় ১৪টি নতুন ফি আরোপের প্রস্তাব, বাড়ছে গ্রাহকের ব্যয়

আপডেট সময় : ১২:২৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

দেশের ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবা আরও ব্যয়বহুল হতে যাচ্ছে। বর্তমানে যেসব সেবা বিনামূল্যে পাওয়া যায়, এমন ১৪টি খাতে নতুন করে ফি বা চার্জ আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে ব্যাংকগুলোর সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি)। একই সঙ্গে বিদ্যমান বিভিন্ন সেবার চার্জ বাড়ানোর সুপারিশও করা হয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়া এই প্রস্তাব অনুমোদিত হলে আমানতকারী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ গ্রাহকদের ব্যাংকিং ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যাবে।

এবিবির প্রস্তাব অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত বা নিষ্ক্রিয় (ডরম্যান্ট) ব্যাংক হিসাব পুনরায় সচল করতে ৫০০ টাকা ফি নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে এই সেবাটি বিনামূল্যে পাওয়া যায়। এ ছাড়া ব্যাংক কাউন্টার থেকে নগদ অর্থ উত্তোলনের ক্ষেত্রেও সীমাবদ্ধতা ও চার্জ আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, মাসে তিনবার পর্যন্ত নগদ উত্তোলন বিনামূল্যে করা যাবে; তবে চতুর্থ থেকে দশমবার পর্যন্ত প্রতিবার ১০০ টাকা এবং দশবারের বেশি উত্তোলনে প্রতিবার ৩০০ টাকা ফি দিতে হবে। ব্যবসায়িক হিসাবের ক্ষেত্রেও মাসে ২০ বারের বেশি উত্তোলনে বাড়তি চার্জের সুপারিশ করা হয়েছে।

ঋণ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে এবিবি। চলমান ঋণের ক্ষেত্রে বার্ষিক সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত মনিটরিং ফি, আমদানিকারকদের বায়ার্স ক্রেডিট সুবিধার বিপরীতে ১ শতাংশ ফি এবং বড় করপোরেট ঋণের ক্ষেত্রে ডিল স্ট্রাকচারিং ফি হিসেবে ১ শতাংশ চার্জ নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি ঋণের সুদের বাইরে অতিরিক্ত ঝুঁকি প্রিমিয়াম বাবদ আরও ১ শতাংশ ফি এবং নগদ বৈদেশিক মুদ্রা বিক্রির ক্ষেত্রে ২ শতাংশ কমিশন আরোপের সুপারিশ করা হয়েছে।