ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের ১১ উপজেলা প্লাবিত, পানিবন্দি লাখো মানুষ

টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। জেলার ১১টি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা গত এক সপ্তাহ ধরে পানির নিচে তলিয়ে আছে। বাঁশখালী, সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি ও রাউজানসহ বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোতে বর্তমানে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সরকারি হিসাবে সাড়ে সাত লাখ মানুষ পানিবন্দি বলা হলেও স্থানীয়দের দাবি এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি।

গত কয়েক দিনের বন্যায় ও পাহাড় ধসে চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। যদিও বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে, কিন্তু উজানের ঢল নামতে থাকায় লোকালয়ে পানি বাড়ছেই। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ায় দুর্গম এলাকাগুলোর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে পানিবন্দি মানুষের উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ বিতরণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলার অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। দুর্গতদের সহায়তায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিস নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। শুকনো খাবার ও সুপেয় পানির তীব্র সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে হাজারো পরিবার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় তা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে বৃষ্টির দাপট থাকবে আরও ৫ দিন, ৬ বিভাগে অতিভারি বর্ষণের সতর্কতা

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের ১১ উপজেলা প্লাবিত, পানিবন্দি লাখো মানুষ

আপডেট সময় : ১২:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬

টানা বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রামের বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। জেলার ১১টি উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা গত এক সপ্তাহ ধরে পানির নিচে তলিয়ে আছে। বাঁশখালী, সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি ও রাউজানসহ বন্যাকবলিত উপজেলাগুলোতে বর্তমানে মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। সরকারি হিসাবে সাড়ে সাত লাখ মানুষ পানিবন্দি বলা হলেও স্থানীয়দের দাবি এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি।

গত কয়েক দিনের বন্যায় ও পাহাড় ধসে চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ১১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। যদিও বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমেছে, কিন্তু উজানের ঢল নামতে থাকায় লোকালয়ে পানি বাড়ছেই। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পড়ায় দুর্গম এলাকাগুলোর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এতে পানিবন্দি মানুষের উদ্ধারকাজ ও ত্রাণ বিতরণ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

সাতকানিয়া ও লোহাগাড়া উপজেলার অবস্থা সবচেয়ে ভয়াবহ। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। দুর্গতদের সহায়তায় সেনাবাহিনী, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিস নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। শুকনো খাবার ও সুপেয় পানির তীব্র সংকটে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে হাজারো পরিবার। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও যাতায়াত ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় তা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।