ঢাকা ০৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

রাজস্থলীতে পাহাড়ধসের চরম ঝুঁকি: বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরাতে তৎপর প্রশাসন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:০০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসের ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। পাহাড়ের পাদদেশে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসরত পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে জোরদার তৎপরতা শুরু হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইউসুফ হাসান ঘিলাছড়ি ও গাইন্দ্যা ইউনিয়নের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসের একটি বিশেষ দল সার্বক্ষণিক কাজ করছে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এলাকাগুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ সামাল দিতে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে মোট ৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ জন বাসিন্দা এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। ইউএনও ইউসুফ হাসান জানিয়েছেন, পাহাড়ে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘুষ গ্রহণের দায়ে বেবিচক কর্মকর্তা রাশেদের ৫ বছরের কারাদণ্ড

রাজস্থলীতে পাহাড়ধসের চরম ঝুঁকি: বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরাতে তৎপর প্রশাসন

আপডেট সময় : ০২:০০:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় টানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণে পাহাড়ধসের ভয়াবহ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্থানীয় বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। পাহাড়ের পাদদেশে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাসরত পরিবারগুলোকে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে জোরদার তৎপরতা শুরু হয়েছে।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজস্থলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইউসুফ হাসান ঘিলাছড়ি ও গাইন্দ্যা ইউনিয়নের বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার আহ্বান জানান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসের একটি বিশেষ দল সার্বক্ষণিক কাজ করছে এবং সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এলাকাগুলোতে মাইকিং করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, দুর্যোগ সামাল দিতে উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে মোট ৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রায় ৪০ জন বাসিন্দা এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। ইউএনও ইউসুফ হাসান জানিয়েছেন, পাহাড়ে বসবাসকারী প্রতিটি মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে না নেওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরও প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।