ঢাকা ০১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার কেরানীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী শাহানুর আক্তারকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামী মো. জাহাঙ্গীর আলমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন এবং কেরানীগঞ্জের খালপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর রাতে যৌতুকের টাকা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। পরদিন সকালে ভিকটিমের মেয়ে তার মাকে ডাকতে গিয়ে ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকানো দেখে। পরে ভেতরে ঢুকে খাটের ওপর শাহানুর আক্তারের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায়। ঘটনার পর থেকেই জাহাঙ্গীর পলাতক ছিলেন।

এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৯ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের ১ কোটি ৩২ লাখের বেশি ভিডিও মুছে ফেলেছে টিকটক

কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ১২:৪২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

ঢাকার কেরানীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী শাহানুর আক্তারকে নৃশংসভাবে গলা কেটে হত্যার দায়ে স্বামী মো. জাহাঙ্গীর আলমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান এই রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, জাহাঙ্গীর আলম পেশায় একজন দিনমজুর ছিলেন এবং কেরানীগঞ্জের খালপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর রাতে যৌতুকের টাকা নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে তার প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। পরদিন সকালে ভিকটিমের মেয়ে তার মাকে ডাকতে গিয়ে ঘরের দরজা বাইরে থেকে আটকানো দেখে। পরে ভেতরে ঢুকে খাটের ওপর শাহানুর আক্তারের গলাকাটা মরদেহ দেখতে পায়। ঘটনার পর থেকেই জাহাঙ্গীর পলাতক ছিলেন।

এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শেষে ২০১৯ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত আসামির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।