ঢাকা ০২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: ৪৬ হাজার প্রার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ আপিল বিভাগের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপের (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ফলাফল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। মেধার ভিত্তিতে ৪৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল পুনরায় তৈরি করে প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগে উত্তীর্ণ হওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বহাল রেখেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রায় প্রদান করেন। রায়ে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোটা পদ্ধতির চ্যালেঞ্জ করে রিট করা ১৫১ জন প্রার্থীকেও নিয়োগ দিতে হবে। রিটকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছিল। তবে জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সেই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আগের নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করলে সরকার পক্ষ আপিল করে। চূড়ান্ত শুনানি শেষে আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করলেন, যা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধার প্রতিফলন নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিকিৎসার জন্য ব্যাংক থেকে ২০ লাখ টাকা উত্তোলনের বিশেষ অনুমতি পেলেন রাষ্ট্রপতি

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: ৪৬ হাজার প্রার্থীর ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ আপিল বিভাগের

আপডেট সময় : ১২:৪৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের তৃতীয় ধাপের (ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগ) ফলাফল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। মেধার ভিত্তিতে ৪৬ হাজার ৫৩১ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল পুনরায় তৈরি করে প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আগে উত্তীর্ণ হওয়া ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বহাল রেখেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রায় প্রদান করেন। রায়ে আরও বলা হয়েছে, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোটা পদ্ধতির চ্যালেঞ্জ করে রিট করা ১৫১ জন প্রার্থীকেও নিয়োগ দিতে হবে। রিটকারীদের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা যায়, ২০২৩ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছিল। তবে জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সেই রিটের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আগের নিয়োগ প্রক্রিয়া অবৈধ ঘোষণা করলে সরকার পক্ষ আপিল করে। চূড়ান্ত শুনানি শেষে আপিল বিভাগ এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করলেন, যা প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধার প্রতিফলন নিশ্চিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।