বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এর হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড ও গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো)। আটলান্টার মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে এই লড়াই অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ ‘এল’-এর চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট পর্বে পা রেখেছে টমাস টুখেলের ইংল্যান্ড, অন্যদিকে আফ্রিকার চমক ডিআর কঙ্গো সেরা তৃতীয় স্থান অধিকারী দল হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে শেষ ৩২-এ। মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে দুদলের শক্তির জায়গা, দুর্বলতা এবং পরিসংখ্যানের হিসাব-নিকাশ ফুটবল বিশ্বে বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
ইংল্যান্ড শেষ ম্যাচে পানামাকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউটে পা রেখেছে। দলের সেরা তারকা হ্যারি কেইন এবং জুড বেলিংহ্যামের দ্রুতগতির দুটি গোল দলকে এনে দেয় এক সহজ জয়। এই গোলের মাধ্যমে হ্যারি কেইন বিশ্বকাপের ইতিহাসে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন। গ্রুপ পর্বে ইংল্যান্ডের খেলা শতভাগ নিখুঁত না হলেও, ইতিহাস বলে নিখুঁত না খেলেও বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব। কোচ টমাস টুখেলের অধীনে প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে এখনো অপরাজিত ইংল্যান্ড (১১ ম্যাচে ১০ জয় ও ১ ড্র)। রন গ্রিনউড (১৬ ম্যাচ) এবং রয় হজসনের (১৪ ম্যাচ) পর টুখেলই ইংল্যান্ডের কোচ হিসেবে সবচেয়ে দীর্ঘতম অপরাজিত যাত্রার রেকর্ড গড়লেন।
ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ডিআর কঙ্গো। এর আগে ১৯৭৪ সালে ‘জায়ারে’ নামে তারা বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল, যেখানে তিন ম্যাচের সবকটিতেই হেরে বিদায় নিতে হয়েছিল। তবে এবার সেবাস্তিয়ান দেসাব্রের অধীনে এক নতুন কঙ্গোকে দেখছে বিশ্ব। পর্তুগাল ও কলম্বিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে ৫-৩-২ ফরমেশনের ‘ডিফেন্সিভ ওয়াল’ তৈরি করে মাত্র একটি করে গোল হজম করেছে তারা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে উজবেকিস্তানের বিরুদ্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েও ৩-১ ব্যবধানে দুর্দান্ত এক জয় ছিনিয়ে নেয় ‘দ্য লিওপার্ডস’রা। দলের প্রধান তারকা ইয়োয়ান উইসা জোড়া গোল করে ইতিহাস গড়েন। প্রিমিয়ার লিগের পুরো সিজন…
রিপোর্টারের নাম 




















