কাতার বিশ্বকাপে মরক্কোর কাছে টাইব্রেকারে হেরে রাউন্ড অব ৩২ থেকে বিদায় নেওয়ার পর জাতীয় দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ডাচ কোচ রোনাল্ড কোম্যান। একই সঙ্গে, পেনাল্টি মিস করা তিন ডাচ ফুটবলার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্ণবাদী বিদ্বেষের শিকার হওয়ায় নেদারল্যান্ডস ফুটবল ফেডারেশন (কেএনভিবি) কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
মন্তেরেতে অনুষ্ঠিত নকআউট ম্যাচে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময় ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে হেরে যায় নেদারল্যান্ডস। টাইব্রেকারে জাস্টিন ক্লুইভার্ট, কুইন্টেন টিম্বার ও ক্রেসেনসিও সামারভিলের ব্যর্থতাই শেষ পর্যন্ত ডাচদের বিদায়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ম্যাচ শেষে কোম্যান এক আবেগঘন বার্তা দিয়ে জানান, তিনি কোচিং ক্যারিয়ারের ইতি টানার কথাও ভাবছেন। তিনি বলেন, ‘পেছনে ফিরে তাকালে আমার ক্যারিয়ার নিয়ে আমি গর্বিত। অসাধারণ সব ক্লাব ও মানুষের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আমরা সবাই মিলে বিশ্বকাপে নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম, কিন্তু সেটা বাস্তবায়িত হয়নি। এই ব্যর্থতায় সম্ভবত সবচেয়ে বেশি ভেঙে পড়েছি আমি। একজন কোচ হিসেবে দলের সব দায় সবসময় নিজের কাঁধে নিয়েছি, ভবিষ্যতেও সেটাই করব।’
সাবেক বার্সেলোনা কোচ ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন বাস্তবতার কথাও তুলে ধরেন। স্তন ক্যানসারের চিকিৎসাধীন স্ত্রী বার্টিনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ফুটবলের চেয়ে জীবনে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে। ‘গত কয়েক বছরে বুঝেছি, সুস্থতার কোনো বিকল্প নেই। প্রিয় মানুষ যখন কঠিন লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে যায়, তখন জীবনকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে যায়।’
অন্যদিকে, ম্যাচের পর ক্লুইভার্ট, টিম্বার ও সামারভিলকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্ণবাদী মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। কেএনভিবি জানিয়েছে, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। ফেডারেশনের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আইনজীবীরা ইতোমধ্যে অভিযোগগুলো পর্যালোচনা করছেন। অপরাধের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সরকারি কৌঁসুলির দপ্তরে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হবে এবং ফৌজদারি তদন্তও শুরু হতে পারে। ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত প্রথম দফায় নেদারল্যান্ডসের দায়িত্বে থেকে দলকে উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনালে তুলেছিলেন কোম্যান। পরে বার্সেলোনার দায়িত্ব নিতে জাতীয় দল ছাড়েন। ২০২৩ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে ফিরে এলেও আগ…
রিপোর্টারের নাম 




















