ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় আবারও স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত আব্দুল খালেক (৩০) উখিয়া উপজেলার কুতুপালং-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের বাসিন্দা মো. আনু মিয়ার ছেলে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু আমতলী সীমান্ত এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ ও সূত্র জানিয়েছে, সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে আব্দুল খালেক ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেজু আমতলী বিওপি-সংলগ্ন ৪০ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছাকাছি এলাকায় গেলে হঠাৎ একটি স্থলমাইনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

বিস্ফোরণের তীব্রতায় তার বাম পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ডান পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শ্রমিকরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়ার কুতুপালংয়ে অবস্থিত এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সীমান্তঘেঁষা মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্থলমাইন পুঁতে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অথবা অসাবধানতাবশত সীমান্তের কাছাকাছি গেলে এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, স্থলমাইন বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর ঘুমধুম পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত ব্যক্তির সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

ঘুমধুম সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত

আপডেট সময় : ১০:৫৩:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্ত এলাকায় আবারও স্থলমাইন বিস্ফোরণে এক রোহিঙ্গা যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত আব্দুল খালেক (৩০) উখিয়া উপজেলার কুতুপালং-১ রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি-ব্লকের বাসিন্দা মো. আনু মিয়ার ছেলে।

মঙ্গলবার সকালে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু আমতলী সীমান্ত এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় পুলিশ ও সূত্র জানিয়েছে, সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে আব্দুল খালেক ঘুমধুম ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের রেজু আমতলী বিওপি-সংলগ্ন ৪০ নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছাকাছি এলাকায় গেলে হঠাৎ একটি স্থলমাইনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

বিস্ফোরণের তীব্রতায় তার বাম পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং ডান পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তার সঙ্গে থাকা অন্যান্য শ্রমিকরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়ার কুতুপালংয়ে অবস্থিত এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তিনি মারা যান।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সীমান্তঘেঁষা মিয়ানমারের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে স্থলমাইন পুঁতে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অথবা অসাবধানতাবশত সীমান্তের কাছাকাছি গেলে এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়।

নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, স্থলমাইন বিস্ফোরণের খবর পাওয়ার পর ঘুমধুম পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। নিহত ব্যক্তির সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।