ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

শহীদ জিয়ার গবেষণা কেন্দ্র কেন হয়নি, প্রশ্ন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খানের

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান প্রশ্ন তুলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশে কেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। রোববার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই প্রশ্ন রাখেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজিত সভায় ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তা কি তাৎক্ষণিক ছিল, নাকি তার এই চিন্তাধারা অনেক আগে থেকেই ছিল? তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এত বছরেও দেশে কেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার জন্য আমাদের দেশে লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে। যে বাংলাদেশ আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, সেই বাংলাদেশ কিন্তু গত ৫৫ বছরে আমরা বিনির্মাণ করতে পারিনি। আসলে আমরা এমন একটি জাতি, যে জাতি বিগত ৫৫ বছরে বারবার বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে সামনে এগিয়ে চলেছে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের যাত্রাপথ কিন্তু মসৃণ ছিল না।

মঈন খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পালন করতে যাচ্ছে। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের ৫৫ বছর। কিন্তু একে একেবারে কম সময়ও বলা যায় না। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ এখন একটি শিশু রাষ্ট্র—এই অজুহাত দিয়ে আমরা আমাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারি না। আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে সেই দায়িত্ব আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ইতিহাসে ১৯৭১ সালের একটু পেছনে ফিরে যেতে হবে। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধ (দ্বিতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ) জিয়াউর রহমান যে ভূমিকা রেখেছিলেন, সেই যুদ্ধে বিজয়ের জন্য তিনি হিলাল-ই-জুরাত পেয়েছিলেন। তখন তিনি করাচিতে নিযুক্ত ছিলেন। সেই যুদ্ধে তিনি প্রথম নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন। জয়নাল আবেদীনসহ সেই সময়ে যারা সামরিক বাহিনীতে ছিলেন, তারা বিষয়টি জানেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, করাচিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) থেকে অনেকে যেতেন। তখন জিয়াউর রহমান মেজর হননি, সৈনিক-ক্যাপ্টেন ছিলেন। সেই সময়ে তিনি অনেকের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বঞ্চনা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতেন। মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে আগের সরকারের অনেক দায়িত্ব ছিল, যা তারা পালন করেনি। প্রধানমন্ত্রী তার…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুর সীমান্তে বিজিবির সাহসী পদক্ষেপ: বিএসএফের হুমকির কড়া জবাব, প্রশংসা কুড়াচ্ছে জওয়ানরা

শহীদ জিয়ার গবেষণা কেন্দ্র কেন হয়নি, প্রশ্ন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খানের

আপডেট সময় : ১০:৩০:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান প্রশ্ন তুলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৫৫ বছর পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশে কেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। রোববার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি) মিলনায়তনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এই প্রশ্ন রাখেন।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজিত সভায় ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ১৯৭১ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, তা কি তাৎক্ষণিক ছিল, নাকি তার এই চিন্তাধারা অনেক আগে থেকেই ছিল? তিনি বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এত বছরেও দেশে কেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান গবেষণা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার জন্য আমাদের দেশে লাখ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছে। যে বাংলাদেশ আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, সেই বাংলাদেশ কিন্তু গত ৫৫ বছরে আমরা বিনির্মাণ করতে পারিনি। আসলে আমরা এমন একটি জাতি, যে জাতি বিগত ৫৫ বছরে বারবার বিভিন্ন ঘাত-প্রতিঘাতের ভেতর দিয়ে সামনে এগিয়ে চলেছে। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের যাত্রাপথ কিন্তু মসৃণ ছিল না।

মঈন খান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পালন করতে যাচ্ছে। ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের ৫৫ বছর। কিন্তু একে একেবারে কম সময়ও বলা যায় না। তিনি মনে করেন, বাংলাদেশ এখন একটি শিশু রাষ্ট্র—এই অজুহাত দিয়ে আমরা আমাদের দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারি না। আমাদের দায়িত্ব নিতে হবে এবং নতুন প্রজন্মকে সেই দায়িত্ব আরো এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ইতিহাসে ১৯৭১ সালের একটু পেছনে ফিরে যেতে হবে। ১৯৬৫ সালের যুদ্ধ (দ্বিতীয় ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ) জিয়াউর রহমান যে ভূমিকা রেখেছিলেন, সেই যুদ্ধে বিজয়ের জন্য তিনি হিলাল-ই-জুরাত পেয়েছিলেন। তখন তিনি করাচিতে নিযুক্ত ছিলেন। সেই যুদ্ধে তিনি প্রথম নিজের পরিচয় দিয়েছিলেন। জয়নাল আবেদীনসহ সেই সময়ে যারা সামরিক বাহিনীতে ছিলেন, তারা বিষয়টি জানেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, করাচিতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান (বাংলাদেশ) থেকে অনেকে যেতেন। তখন জিয়াউর রহমান মেজর হননি, সৈনিক-ক্যাপ্টেন ছিলেন। সেই সময়ে তিনি অনেকের সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষের বঞ্চনা এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতেন। মঈন খান বলেন, বাংলাদেশে আগের সরকারের অনেক দায়িত্ব ছিল, যা তারা পালন করেনি। প্রধানমন্ত্রী তার…