ঢাকা ১২:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬

হজ ফ্লাইটে লাগেজ কাটার অভিযোগ ভিত্তিহীন: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

হজ যাত্রীদের লাগেজ কেটে মালামাল চুরির যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। জেদ্দা থেকে আসা একটি বিশেষ ফ্লাইটের ১৫০ জন হাজির লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তা তদন্ত প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের পর অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মালামাল খালাস করা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি ও বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরার নজরদারিতে সম্পন্ন হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগের বিপরীতে মাত্র ৫ থেকে ৬ জন যাত্রী তাদের ব্যাগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন, যার মধ্যে মূলত জমজমের পানি ও বিভিন্ন তরল সামগ্রী ছিল। সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী চেক-ইন ব্যাগেজে নিষিদ্ধ সামগ্রী থাকলে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ তা তল্লাশি করতে পারে। কোনো যাত্রীই মূল্যবান সম্পদ খোয়া যাওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেননি। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিধিমালা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিমান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, ঢাকায় লাগেজ কাটা বা চুরির কোনো ঘটনা ঘটেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হজ ফ্লাইটে লাগেজ কাটার অভিযোগ ভিত্তিহীন: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

হজ ফ্লাইটে লাগেজ কাটার অভিযোগ ভিত্তিহীন: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

আপডেট সময় : ১১:০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

হজ যাত্রীদের লাগেজ কেটে মালামাল চুরির যে অভিযোগ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, তার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। জেদ্দা থেকে আসা একটি বিশেষ ফ্লাইটের ১৫০ জন হাজির লাগেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে যে দাবি করা হয়েছিল, তা তদন্ত প্রতিবেদনে ভিত্তিহীন হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। বিমান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্লাইটটি ঢাকায় অবতরণের পর অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মালামাল খালাস করা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সিসিটিভি ও বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরার নজরদারিতে সম্পন্ন হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযোগের বিপরীতে মাত্র ৫ থেকে ৬ জন যাত্রী তাদের ব্যাগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন, যার মধ্যে মূলত জমজমের পানি ও বিভিন্ন তরল সামগ্রী ছিল। সৌদি আরবের নিয়ম অনুযায়ী চেক-ইন ব্যাগেজে নিষিদ্ধ সামগ্রী থাকলে নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ তা তল্লাশি করতে পারে। কোনো যাত্রীই মূল্যবান সম্পদ খোয়া যাওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ করেননি। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল বিধিমালা ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ফুটেজ বিশ্লেষণ করে বিমান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, ঢাকায় লাগেজ কাটা বা চুরির কোনো ঘটনা ঘটেনি।