ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

মঙ্গোলিয়ায় ‘হালাল শূকরের মাংস’ দেখে বিস্মিত দাবাড়ু ফাহাদ

মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটরে আন্তর্জাতিক দাবা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে গিয়ে এক অভিনব ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মাস্টার ফাহাদ রহমান। টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচে জয়ের পর হোটেলের বুফেতে তিনি ‘হালাল পোর্ক’ অর্থাৎ ‘হালাল শূকরের মাংস’ দেখে অবাক হয়েছেন।

ফাহাদ রহমান নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, হোটেলের বুফেতে একটি খাবারের পাশে ‘হালাল পোর্ক’ লেখা দেখে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ওয়েটারকে জিজ্ঞেস করেন। ওয়েটার শূকরের মাংস বলে নিশ্চিত করার পর ফাহাদ আবার জিজ্ঞেস করেন, তাহলে এখানে ‘হালাল’ লেখা কেন? উত্তরে ওয়েটার গম্ভীরভাবে বলেন, ‘এটি হালাল শূকরের মাংস।’ ফাহাদের পাশে থাকা শ্রীলঙ্কার এক ভদ্রমহিলা এই ঘটনায় হেসে ফেলেন।

ফাহাদ পরবর্তীতে জানিয়েছেন, তার মনে হয়েছে ওয়েটার ‘হালাল’ এবং ‘হারাম’-এর পার্থক্য বোঝেননি। এর আগে তিনি গরু ও খাসির মাংসের পাশে ‘হালাল’ লেখা দেখেছিলেন। তবে, তিনি এবং তার সফরসঙ্গীরা কেউই শূকরের মাংসটি খাননি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত্যুশয্যায় হাজার বছরের প্রাচীন বাওবাব: গ্রামবাসীর আধ্যাত্মিক আশ্রয় ও প্রকৃতির বিপন্নতার প্রতীক

মঙ্গোলিয়ায় ‘হালাল শূকরের মাংস’ দেখে বিস্মিত দাবাড়ু ফাহাদ

আপডেট সময় : ০৯:৩১:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

মঙ্গোলিয়ার রাজধানী উলান বাটরে আন্তর্জাতিক দাবা টুর্নামেন্টে অংশ নিতে গিয়ে এক অভিনব ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক মাস্টার ফাহাদ রহমান। টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচে জয়ের পর হোটেলের বুফেতে তিনি ‘হালাল পোর্ক’ অর্থাৎ ‘হালাল শূকরের মাংস’ দেখে অবাক হয়েছেন।

ফাহাদ রহমান নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, হোটেলের বুফেতে একটি খাবারের পাশে ‘হালাল পোর্ক’ লেখা দেখে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ওয়েটারকে জিজ্ঞেস করেন। ওয়েটার শূকরের মাংস বলে নিশ্চিত করার পর ফাহাদ আবার জিজ্ঞেস করেন, তাহলে এখানে ‘হালাল’ লেখা কেন? উত্তরে ওয়েটার গম্ভীরভাবে বলেন, ‘এটি হালাল শূকরের মাংস।’ ফাহাদের পাশে থাকা শ্রীলঙ্কার এক ভদ্রমহিলা এই ঘটনায় হেসে ফেলেন।

ফাহাদ পরবর্তীতে জানিয়েছেন, তার মনে হয়েছে ওয়েটার ‘হালাল’ এবং ‘হারাম’-এর পার্থক্য বোঝেননি। এর আগে তিনি গরু ও খাসির মাংসের পাশে ‘হালাল’ লেখা দেখেছিলেন। তবে, তিনি এবং তার সফরসঙ্গীরা কেউই শূকরের মাংসটি খাননি।