ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে দেশ ও গণতন্ত্রের সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় জীবনে বিদ্যমান সংকট, সংগ্রাম ও বিনির্মাণে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, বহুমাত্রিক গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষায় ইস্পাতকঠিন গণঐক্য গড়ে তোলা অপরিহার্য।

শনিবার (৩০ মে) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (২৯ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল জিয়াউর রহমানের অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রদর্শিত পথ, দর্শন ও কর্মসূচি আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহতকরণ, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং দেশীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির রক্ষাকবচ।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন যে, স্বজাতির চরম ক্রান্তিকালে জিয়াউর রহমান দেশ ও জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেডফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমান ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়ে বীর নায়কের স্থান অর্জন করেছেন। তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে দেশের তরুণ, ছাত্র, শ্রমিক ও যুবকরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ফলশ্রুতিতে হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, বিজয়ের পর তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর অগণতান্ত্রিক ও দমনমূলক শাসনের ফলে দেশে ভয়াবহ অরাজকতা দেখা দেয়। মানুষের নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়, গণতন্ত্রকে কবর দেওয়া হয় এবং নির্মম একদলীয় দুঃশাসন চালু করা হয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ মানুষের বাক ও চিন্তার স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, জাতিকে একদলীয় প্রভুত্ববাদের নাগপাশে বন্দি করা হয়েছিল। এই নৈরাজ্যের সময়ে সিপাহী ও জনতা মিলিতভাবে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সিপাহী-জনতার সম্মিলিত স্রোতে জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করা হয় এবং তিনি জাতীয় রাজনীতির পাদপ্রদীপের আলোয় অভিসিক্ত হন। জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং সংবাদপত্রসহ নাগরিক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ব্যর্থতা: দুই সিটি কর্মকর্তা বরখাস্ত

শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে দেশ ও গণতন্ত্রের সুরক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

আপডেট সময় : ০৬:৩২:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় জীবনে বিদ্যমান সংকট, সংগ্রাম ও বিনির্মাণে শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, জাতীয় স্বার্থ, বহুমাত্রিক গণতন্ত্র এবং জনগণের অধিকার সুরক্ষায় ইস্পাতকঠিন গণঐক্য গড়ে তোলা অপরিহার্য।

শনিবার (৩০ মে) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে শুক্রবার (২৯ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। মির্জা ফখরুল জিয়াউর রহমানের অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, শহীদ জিয়ার প্রদর্শিত পথ, দর্শন ও কর্মসূচি আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সুসংহতকরণ, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং দেশীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতির রক্ষাকবচ।

বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল উল্লেখ করেন যে, স্বজাতির চরম ক্রান্তিকালে জিয়াউর রহমান দেশ ও জনগণের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেডফোর্সের অধিনায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমান ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়ে বীর নায়কের স্থান অর্জন করেছেন। তাঁর স্বাধীনতার ঘোষণার অভয়মন্ত্রে দেশের তরুণ, ছাত্র, শ্রমিক ও যুবকরা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ফলশ্রুতিতে হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে বিজয় অর্জন সম্ভব হয়।

তিনি আরও বলেন, বিজয়ের পর তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর অগণতান্ত্রিক ও দমনমূলক শাসনের ফলে দেশে ভয়াবহ অরাজকতা দেখা দেয়। মানুষের নাগরিক অধিকার হরণ করা হয়, গণতন্ত্রকে কবর দেওয়া হয় এবং নির্মম একদলীয় দুঃশাসন চালু করা হয়। সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ মানুষের বাক ও চিন্তার স্বাধীনতাকে খর্ব করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, জাতিকে একদলীয় প্রভুত্ববাদের নাগপাশে বন্দি করা হয়েছিল। এই নৈরাজ্যের সময়ে সিপাহী ও জনতা মিলিতভাবে প্রবল প্রতিরোধ গড়ে তোলে। সিপাহী-জনতার সম্মিলিত স্রোতে জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করা হয় এবং তিনি জাতীয় রাজনীতির পাদপ্রদীপের আলোয় অভিসিক্ত হন। জিয়া রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং সংবাদপত্রসহ নাগরিক স্বাধীনতা ফিরিয়ে দেন।