ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান: নিউইয়র্ক মেয়রের তীব্র নিন্দা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র। তিনি এই যুদ্ধের কারণে সাধারণ নাগরিক এবং শ্রমজীবী পরিবারের উপর যে ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

মেয়র এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে জানিয়েছেন, আজ থেকে তিন মাস আগে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের পক্ষে কেউ ভোট না দিলেও এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে, যাদের এই বিষয়ে কোনো মতামতই ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন, এই সংঘাতে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ জন সেনাসদস্য আর কখনো তাদের পরিবারের কাছে ফিরে আসবেন না।

মার্কিন কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন ছাড়াই এই সংঘাত শুরু হয়েছে বলে মেয়র জানান। তিনি আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ফলে তাদের পারিবারিক বাজেটের উপর যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, তা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে। বিদেশে হারানো প্রতিটি জীবন এবং দেশের শ্রমজীবী পরিবারগুলোর কাছ থেকে আদায় হওয়া প্রতিটি ডলার একই বেপরোয়া খরচের অংশ, যা সেইসব মানুষের উপর চাপানো হয়েছে, যারা এই বোঝা বহন করার সামর্থ্য রাখে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের মহিষ দেখতে চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান: নিউইয়র্ক মেয়রের তীব্র নিন্দা

আপডেট সময় : ০৩:২০:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র। তিনি এই যুদ্ধের কারণে সাধারণ নাগরিক এবং শ্রমজীবী পরিবারের উপর যে ভয়াবহ চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

মেয়র এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে জানিয়েছেন, আজ থেকে তিন মাস আগে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের পক্ষে কেউ ভোট না দিলেও এর মূল্য দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে, যাদের এই বিষয়ে কোনো মতামতই ছিল না। তিনি উল্লেখ করেন, এই সংঘাতে হাজার হাজার বেসামরিক নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ জন সেনাসদস্য আর কখনো তাদের পরিবারের কাছে ফিরে আসবেন না।

মার্কিন কংগ্রেসের কোনো অনুমোদন ছাড়াই এই সংঘাত শুরু হয়েছে বলে মেয়র জানান। তিনি আরও বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির ফলে তাদের পারিবারিক বাজেটের উপর যে চাপ সৃষ্টি হচ্ছে, তা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছে। বিদেশে হারানো প্রতিটি জীবন এবং দেশের শ্রমজীবী পরিবারগুলোর কাছ থেকে আদায় হওয়া প্রতিটি ডলার একই বেপরোয়া খরচের অংশ, যা সেইসব মানুষের উপর চাপানো হয়েছে, যারা এই বোঝা বহন করার সামর্থ্য রাখে না।