পবিত্র ঈদুল আজহার ত্যাগের মহিমা ও মানবিকতার শিক্ষাকে ছড়িয়ে দিতে সমাজের অসচ্ছল ও কোরবানি দিতে অক্ষম মানুষের সঙ্গে কোরবানির মাংস ভাগ করে নেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, কেবল পশু কোরবানি নয়, বরং ত্যাগ, সহমর্মিতা এবং মানবিকতার চর্চাই কোরবানির প্রকৃত তাৎপর্য বহন করে।
ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশবাসীর উদ্দেশে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহ যাদের এই বছর কোরবানি করার সামর্থ্য দিয়েছেন, তাদের প্রতি আমার বিনীত আবেদন—যাদের পশু কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য হয়নি, তাদের সঙ্গে কোরবানির মাংস ভাগাভাগি করে নিন। এটিও কোরবানির অন্যতম শিক্ষা।’ তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন যে, কোরবানি কেবল পশু জবাইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি লোভ, লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ এবং মনের পশুত্বকে জয় করার এক শিক্ষা। এই আত্মত্যাগের উৎসব মানুষকে সত্য ও সুন্দরের পথে পরিচালিত করবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘ত্যাগের মহিমা, তাকওয়ার শিক্ষা ও আত্মশুদ্ধির বার্তা নিয়েই আবারও এসেছে পবিত্র ঈদুল আজহা। দলমত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক।’ তিনি কোরবানির পশুর চামড়া যথাযথভাবে সংরক্ষণ এবং পশুর বর্জ্য দ্রুত পরিষ্কার করার কাজে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সহায়তা করার জন্যও দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
সর্বশেষে, তিনি দেশ, মুসলিম বিশ্ব এবং সমগ্র মানবজাতির শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















