ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ব্যাংক মালিকদের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও অব্যবস্থাপনায় অর্থমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

দেশের ব্যাংক খাতের চলমান অস্থিরতা, লাগামহীন খেলাপি ঋণ এবং দুর্বল আর্থিক প্রতিবেদনের চিত্র নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ব্যাংক মালিকদের একাংশের বিলাসী জীবনযাত্রা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড পুরো দেশের আর্থিক ভিত্তিকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

একটি স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু ব্যাংকের মালিকপক্ষ আগে আর্থিক সহায়তা চেয়েছিল, অথচ তাদের ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ছিল ভয়াবহ। এই মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। ব্যাংক মালিকদের ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়ে যে নেতিবাচক জনমতের সৃষ্টি হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনে অস্বচ্ছতা এবং ত্রুটিপূর্ণ নিরীক্ষা ব্যবস্থার কারণে ব্যাংকিং খাতে লুটপাট ও অনিয়ম করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রকৃত চিত্র গোপন করায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এই সংকট নিরসনে আগামী দুই মাসের মধ্যে পুঁজিবাজারের কাঠামোগত পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে সেখানে পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া ব্যাংক খাতের মূলধন সংকট কাটাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় ইসরাইলি বিমান হামলায় হামাসের নৌ-কমান্ডারসহ ৪ যোদ্ধা নিহত

ব্যাংক মালিকদের বিলাসবহুল জীবনযাপন ও অব্যবস্থাপনায় অর্থমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

দেশের ব্যাংক খাতের চলমান অস্থিরতা, লাগামহীন খেলাপি ঋণ এবং দুর্বল আর্থিক প্রতিবেদনের চিত্র নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ব্যাংক মালিকদের একাংশের বিলাসী জীবনযাত্রা এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন কর্মকাণ্ড পুরো দেশের আর্থিক ভিত্তিকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।

একটি স্মরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, কিছু ব্যাংকের মালিকপক্ষ আগে আর্থিক সহায়তা চেয়েছিল, অথচ তাদের ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হার ছিল ভয়াবহ। এই মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। ব্যাংক মালিকদের ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়ে যে নেতিবাচক জনমতের সৃষ্টি হয়েছে, তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, আর্থিক প্রতিবেদনে অস্বচ্ছতা এবং ত্রুটিপূর্ণ নিরীক্ষা ব্যবস্থার কারণে ব্যাংকিং খাতে লুটপাট ও অনিয়ম করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রকৃত চিত্র গোপন করায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এই সংকট নিরসনে আগামী দুই মাসের মধ্যে পুঁজিবাজারের কাঠামোগত পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করে সেখানে পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হবে। এছাড়া ব্যাংক খাতের মূলধন সংকট কাটাতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংস্থাগুলোর সঙ্গে কাজ করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।