ঢাকা ১০:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ: জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ, গাড়ি পোড়ানো, মামলা দায়ের

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই প্রধান অভিযুক্ত মো. মনির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে, এতে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিক্ষুব্ধ জনতাসহ অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন আহত হন।

শুক্রবার দুপুরে নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মনির হোসেন বাকলিয়া চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী।

ঘটনার সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায়। চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতা ধর্ষকের অবস্থান শনাক্ত করে একটি ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পুলিশ কৌশলে অভিযুক্তকে নিজেদের পোশাকে ঢেকে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ ও জনতার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ টিয়ার শেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের বহু লোক আহত হন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ: জনতা-পুলিশ সংঘর্ষ, গাড়ি পোড়ানো, মামলা দায়ের

আপডেট সময় : ০৭:১৪:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়ায় চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই প্রধান অভিযুক্ত মো. মনির হোসেনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা বিক্ষোভে ফেটে পড়ে এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপসহ গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে, এতে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিক্ষুব্ধ জনতাসহ অন্তত ৩০ থেকে ৪০ জন আহত হন।

শুক্রবার দুপুরে নির্যাতিতা শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত মনির হোসেন বাকলিয়া চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার একটি ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী।

ঘটনার সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর বাকলিয়া থানাধীন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায়। চার বছর বয়সী শিশুটিকে ধর্ষণের অভিযোগ ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র উত্তেজনা দেখা দেয়। বিক্ষুব্ধ জনতা ধর্ষকের অবস্থান শনাক্ত করে একটি ভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ অভিযুক্তকে উদ্ধার করে থানায় নেওয়ার চেষ্টা করলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পড়ে। এ সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় পুলিশ কৌশলে অভিযুক্তকে নিজেদের পোশাকে ঢেকে থানায় নিয়ে যায়।

অভিযুক্তকে থানায় নিয়ে যাওয়ার সময় ক্ষুব্ধ জনতা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় পুলিশ ও জনতার মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ টিয়ার শেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের বহু লোক আহত হন।