রাজধানীর মান্ডায় সাত টুকরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের মাথা উদ্ধার করা হয়েছে।
র্যাব-৩ এর কর্মকর্তা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানিয়েছেন, আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচন করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে। প্রাথমিকভাবে অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার করা মরদেহটি মাথা উদ্ধারের পর সৌদি প্রবাসী মুকাররম হোসেনের বলে শনাক্ত করা হয়েছে।
র্যাবের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, নিহত মুকাররম হোসেন এক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িত ছিলেন। সেই প্রেমিকা কৌশলে মুকাররমকে ঢাকায় এনে বান্ধবীর বাসায় ওঠেন। সেখানে মুকাররমকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অজ্ঞান করে ফেলা হয়। এরপর প্রেমিকা ও তার বান্ধবী মিলে মুকাররমকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করেন এবং পরে শরীরের বিভিন্ন অংশ কেটে সাত টুকরা করে ফেলেন। তারা মুকাররমের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকাও আত্মসাৎ করেছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনা প্রকাশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই রহস্য উদঘাটন ও একজন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে র্যাব। অন্য আসামিকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য, রবিবার (১৭ মে) বিকালে মুগদার মান্ডা এলাকার একটি ভিলার সামনে থেকে পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
রিপোর্টারের নাম 




















