ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন মায়ের মৃত্যুতে নিভে গেল পুরো পরিবারটি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের শেষ সদস্য সায়মা বেগমও (৩২) না ফেরার দেশে চলে গেলেন। শুক্রবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর মাধ্যমে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় স্বামী ও তিন সন্তানসহ ওই পরিবারের মোট পাঁচজনই প্রাণ হারালেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সায়মা বেগমের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বামী মো. কালাম (৩৫) এবং তাদের তিন সন্তান মুন্না (৭), কথা (৭) ও মুন্নি (১০) মারা যান। গত রবিবার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

মর্মান্তিক এই ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য হাসপাতালে দগ্ধদের দেখতে গিয়েছিলেন। তিতাস গ্যাসের লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। একটি সাজানো গোছানো পরিবার এভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় এলাকায় বিষাদময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিশ্বব্যাপী বিদেশি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার ধাক্কা

ফতুল্লায় গ্যাস বিস্ফোরণ: চিকিৎসাধীন মায়ের মৃত্যুতে নিভে গেল পুরো পরিবারটি

আপডেট সময় : ০৩:০৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিক থেকে হওয়া ভয়াবহ বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের শেষ সদস্য সায়মা বেগমও (৩২) না ফেরার দেশে চলে গেলেন। শুক্রবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর মাধ্যমে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় স্বামী ও তিন সন্তানসহ ওই পরিবারের মোট পাঁচজনই প্রাণ হারালেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সায়মা বেগমের শরীরের ৬০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। এর আগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার স্বামী মো. কালাম (৩৫) এবং তাদের তিন সন্তান মুন্না (৭), কথা (৭) ও মুন্নি (১০) মারা যান। গত রবিবার সকালে ফতুল্লার গিরিধারা এলাকার একটি ছয়তলা ভবনের নিচতলায় এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

মর্মান্তিক এই ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের ওই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঘটনার পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য হাসপাতালে দগ্ধদের দেখতে গিয়েছিলেন। তিতাস গ্যাসের লিকেজ থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটেছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। একটি সাজানো গোছানো পরিবার এভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় এলাকায় বিষাদময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।