আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং মানুষের ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। ঈদের সাত দিন আগে থেকে এবং সাত দিন পর পর্যন্ত এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা কার্যকর থাকবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা, চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং মহাসড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থানে থাকবে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের সভা শেষে মন্ত্রী জানান, ঈদ ঘিরে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং সেল সার্বক্ষণিক কাজ করবে। পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন এবং জাল নোট শনাক্তকরণে ব্যাংকগুলোর সমন্বয়ে বিশেষ বুথ বসানো হবে। এছাড়া পশুবাহী ট্রাক বা নৌযানে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বরদাশত করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বডি ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে।
মহাসড়কে যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা রোধে হাইওয়ে পুলিশ ও জেলা পুলিশ সমন্বিতভাবে কাজ করবে। ফিটনেসবিহীন যানবাহন এবং অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন ঠেকাতে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। একইসাথে পোশাক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা ঈদের ছুটির আগেই পরিশোধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিসের ১০২ নম্বরটি সার্বক্ষণিক সচল থাকবে বলেও সভায় জানানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















