ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

ফেনীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত, শোকের ছায়া

ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের হাফিজিয়া এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দু’জনই ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালে কর্মরত অ্যাম্বুলেন্স চালক নুরুল আলম এবং তার ছেলে নুর হাসনাত নিরব। তাদের বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা রাজাপুর এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নুরুল আলম কর্মস্থল থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হাফিজিয়া এলাকায় একটি বেপরোয়া বাসের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে বাবা-ছেলে দু’জনেই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজুল আজিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ বর্তমানে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাজীপুরে মাদক সেবনের দায়ে ৭ জনকে কারাদণ্ড দিল ভ্রাম্যমাণ আদালত

ফেনীতে বাস-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাবা-ছেলে নিহত, শোকের ছায়া

আপডেট সময় : ০২:৫২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ফেনীর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের হাফিজিয়া এলাকায় এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা ও ছেলে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত দু’জনই ফেনী ডায়াবেটিস হাসপাতালে কর্মরত অ্যাম্বুলেন্স চালক নুরুল আলম এবং তার ছেলে নুর হাসনাত নিরব। তাদের বাড়ি ফেনীর সোনাগাজী উপজেলা রাজাপুর এলাকায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নুরুল আলম কর্মস্থল থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হাফিজিয়া এলাকায় একটি বেপরোয়া বাসের সঙ্গে তার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে বাবা-ছেলে দু’জনেই গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফয়েজুল আজিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মরদেহ বর্তমানে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।