ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

জামায়াত এমপির বিতর্কিত ভিডিও: ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে ডা. তাসনিম জারার তীব্র সমালোচনা

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি বিতর্কিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। তিনি এই ঘটনাকে কেবল একটি ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারি হিসেবে না দেখে, এর পেছনে থাকা ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসহায়ত্বের সুযোগ নেওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছেন।

ডা. তাসনিম জারা তার এক বার্তায় উল্লেখ করেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে, তার বয়স ও সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করলে বোঝা যায় তিনি কতটা অসহায় ছিলেন। স্রেফ একটি চাকরির আশায় হয়তো তিনি সংসদ সদস্যের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের জন্য একটি চাকরি পাওয়া কতটা কঠিন এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুপারিশের ওপর কতটা নির্ভর করতে হয়, সেই রূঢ় বাস্তবতার কথা তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, চাকরির প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে একজন সংসদ সদস্য কি তার পদের প্রভাব খাটিয়ে কোনো নারীকে লাঞ্ছিত করেছেন?

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনাটি সংসদের এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদের মর্যাদা রক্ষার্থে এই অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তবে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় সাধারণ মানুষের কাছে এই বার্তা যাবে যে, ক্ষমতাশালীরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও সুপারিশ ও ক্ষমতার দাপট বন্ধ না হওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সারাদেশে বর্ষার দাপট: নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি, বন্যার ঝুঁকিতে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল

জামায়াত এমপির বিতর্কিত ভিডিও: ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে ডা. তাসনিম জারার তীব্র সমালোচনা

আপডেট সময় : ১০:১৪:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের একটি বিতর্কিত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা। তিনি এই ঘটনাকে কেবল একটি ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারি হিসেবে না দেখে, এর পেছনে থাকা ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসহায়ত্বের সুযোগ নেওয়ার বিষয়টি সামনে এনেছেন।

ডা. তাসনিম জারা তার এক বার্তায় উল্লেখ করেন, ভিডিওতে যাকে দেখা যাচ্ছে, তার বয়স ও সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করলে বোঝা যায় তিনি কতটা অসহায় ছিলেন। স্রেফ একটি চাকরির আশায় হয়তো তিনি সংসদ সদস্যের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বাংলাদেশে সাধারণ মানুষের জন্য একটি চাকরি পাওয়া কতটা কঠিন এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুপারিশের ওপর কতটা নির্ভর করতে হয়, সেই রূঢ় বাস্তবতার কথা তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, চাকরির প্রতিশ্রুতির বিনিময়ে একজন সংসদ সদস্য কি তার পদের প্রভাব খাটিয়ে কোনো নারীকে লাঞ্ছিত করেছেন?

তিনি আরও বলেন, এই ঘটনাটি সংসদের এড়িয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জাতীয় সংসদের মর্যাদা রক্ষার্থে এই অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। যদি অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়, তবে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। অন্যথায় সাধারণ মানুষের কাছে এই বার্তা যাবে যে, ক্ষমতাশালীরা যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণার পরও সুপারিশ ও ক্ষমতার দাপট বন্ধ না হওয়ায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।