ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মে দিবসে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও সমান অধিকার নিশ্চিতের অঙ্গীকার

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বৈষম্যহীন ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মূল কারিগর হলেন শ্রমজীবী মানুষ। শিল্প, কৃষি ও অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। শ্রমিকদের কল্যাণে বিগত ঈদুল ফিতরে সময়মতো বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করার উদাহরণ টেনে তিনি জানান, ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমিকের হাতকে উন্নয়নের চাবিকাঠি মনে করতেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিদেশের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো আজও দেশের অর্থনীতির শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। গণতান্ত্রিক এই সরকার শ্রমবান্ধব নীতি ও কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন চমক ‘পথের প্যাঁচাল’: ইয়াশ ও বহ্নির ভিন্নধর্মী রসায়ন

মে দিবসে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি ও সমান অধিকার নিশ্চিতের অঙ্গীকার

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

শ্রমিকদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং নারী-পুরুষ নির্বিশেষে বৈষম্যহীন ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং তাদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

এবারের মে দিবসের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির মূল কারিগর হলেন শ্রমজীবী মানুষ। শিল্প, কৃষি ও অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। শ্রমিকদের কল্যাণে বিগত ঈদুল ফিতরে সময়মতো বেতন ও বোনাস পরিশোধ নিশ্চিত করার উদাহরণ টেনে তিনি জানান, ভবিষ্যতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে।

স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শ্রমিকের হাতকে উন্নয়নের চাবিকাঠি মনে করতেন। মধ্যপ্রাচ্যসহ বিদেশের শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে তার নেওয়া পদক্ষেপগুলো আজও দেশের অর্থনীতির শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে। গণতান্ত্রিক এই সরকার শ্রমবান্ধব নীতি ও কল্যাণমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে তিনি উল্লেখ করেন।