ঢাকা ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

আয়কর রিটার্ন অডিটে স্বচ্ছতা: এবার স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৭২ হাজার রিটার্ন বাছাই করল এনবিআর

কর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং করদাতার হয়রানি কমাতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ভ্যাট রিটার্নের পর এবার ঝুঁকিভিত্তিক মানদণ্ড ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। ২০২৩-২৪ করবর্ষের দাখিলকৃত রিটার্নগুলো থেকে প্রাথমিকভাবে ৭২ হাজার ৩৪১টি রিটার্নকে অডিটের আওতায় আনা হয়েছে। এর আগে গত এপ্রিলে একই পদ্ধতিতে ভ্যাটের ৬০০টি রিটার্ন অডিটের জন্য বাছাই করা হয়েছিল।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, অডিট সিলেকশনে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত প্রভাব বা স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ করতেই এই ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল যে, কর কর্মকর্তাদের পছন্দের বা অপছন্দের ভিত্তিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য নির্বাচন করা হতো, যা অনেক ক্ষেত্রে দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করত। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে অডিট সিলেকশনে স্বচ্ছতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এনবিআরের বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু না হওয়া পর্যন্ত অডিট সিলেকশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তথ্যমতে, প্রতিটি কর সার্কেলের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ২০০টি রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। যেসব এলাকায় কর ফাঁকির প্রবণতা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব সার্কেলে অধিক সংখ্যক অডিট নির্ধারণ করা হয়েছে। এনবিআরের এই পদক্ষেপকে সুশীল সমাজ ও করদাতারা স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ এতে অডিটের নামে অহেতুক আতঙ্ক ও হয়রানির অবসান ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মতপার্থক্য থাকলেও দলের ঐক্য অটুট রাখার আহ্বান তারেক রহমানের

আয়কর রিটার্ন অডিটে স্বচ্ছতা: এবার স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ৭২ হাজার রিটার্ন বাছাই করল এনবিআর

আপডেট সময় : ১১:১৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

কর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং করদাতার হয়রানি কমাতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ভ্যাট রিটার্নের পর এবার ঝুঁকিভিত্তিক মানদণ্ড ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে আয়কর রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। ২০২৩-২৪ করবর্ষের দাখিলকৃত রিটার্নগুলো থেকে প্রাথমিকভাবে ৭২ হাজার ৩৪১টি রিটার্নকে অডিটের আওতায় আনা হয়েছে। এর আগে গত এপ্রিলে একই পদ্ধতিতে ভ্যাটের ৬০০টি রিটার্ন অডিটের জন্য বাছাই করা হয়েছিল।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, অডিট সিলেকশনে কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত প্রভাব বা স্বেচ্ছাচারিতা বন্ধ করতেই এই ডিজিটাল পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ ছিল যে, কর কর্মকর্তাদের পছন্দের বা অপছন্দের ভিত্তিতে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে অডিটের জন্য নির্বাচন করা হতো, যা অনেক ক্ষেত্রে দুর্নীতির সুযোগ তৈরি করত। নতুন এই ব্যবস্থার ফলে অডিট সিলেকশনে স্বচ্ছতা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এনবিআরের বর্তমান চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি চালু না হওয়া পর্যন্ত অডিট সিলেকশন বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

তথ্যমতে, প্রতিটি কর সার্কেলের জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বনিম্ন ২০টি থেকে সর্বোচ্চ ২০০টি রিটার্ন অডিটের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। যেসব এলাকায় কর ফাঁকির প্রবণতা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, সেসব সার্কেলে অধিক সংখ্যক অডিট নির্ধারণ করা হয়েছে। এনবিআরের এই পদক্ষেপকে সুশীল সমাজ ও করদাতারা স্বাগত জানিয়েছেন, কারণ এতে অডিটের নামে অহেতুক আতঙ্ক ও হয়রানির অবসান ঘটবে বলে মনে করা হচ্ছে।