ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

সীতাকুণ্ডে পুকুরে ডুবে ৪ দিনে ৫ শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। গত চার দিনের ব্যবধানে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সর্বশেষ সোমবার বিকেলে বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের পূর্ব বহরপুর গ্রামে এক প্রবাসী পরিবারের ছয় বছর বয়সী শিশু হুমায়রা বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে মারা যায়। এছাড়া গত কয়েক দিনে বাঁশবাড়িয়া ও কুমিরা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে আরও চার শিশু প্রাণ হারিয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছে তাইফুল ইসলাম (৪), আরিজা বিনতে সোহেল (৩), আবদুল্লাহ (৪) এবং সীমা আক্তার (৯)। অধিকাংশ শিশুই খেলার সময় পরিবারের সদস্যদের অগোচরে জলাশয়ে পড়ে যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুদের সুরক্ষায় পারিবারিক সচেতনতা এবং পুকুর বা জলাশয়ের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ এলাকায় শিশুদের অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই পানিতে ডোবা। এই দুর্ঘটনা রোধে স্থানীয় পর্যায়ে প্রচারণা এবং অভিভাবকদের বাড়তি সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকসই উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের বিনিয়োগ প্রস্তাব: অগ্রাধিকার পাবে পরিবেশ ও প্রযুক্তি

সীতাকুণ্ডে পুকুরে ডুবে ৪ দিনে ৫ শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

আপডেট সময় : ০৭:১৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। গত চার দিনের ব্যবধানে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে পানিতে ডুবে ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একের পর এক এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সর্বশেষ সোমবার বিকেলে বারৈয়াঢালা ইউনিয়নের পূর্ব বহরপুর গ্রামে এক প্রবাসী পরিবারের ছয় বছর বয়সী শিশু হুমায়রা বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে মারা যায়। এছাড়া গত কয়েক দিনে বাঁশবাড়িয়া ও কুমিরা ইউনিয়নসহ বিভিন্ন স্থানে আরও চার শিশু প্রাণ হারিয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছে তাইফুল ইসলাম (৪), আরিজা বিনতে সোহেল (৩), আবদুল্লাহ (৪) এবং সীমা আক্তার (৯)। অধিকাংশ শিশুই খেলার সময় পরিবারের সদস্যদের অগোচরে জলাশয়ে পড়ে যায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আলতাফ হোসেন এই পরিস্থিতিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, শিশুদের সুরক্ষায় পারিবারিক সচেতনতা এবং পুকুর বা জলাশয়ের চারপাশে নিরাপত্তা বেষ্টনী দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রামীণ এলাকায় শিশুদের অকাল মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এই পানিতে ডোবা। এই দুর্ঘটনা রোধে স্থানীয় পর্যায়ে প্রচারণা এবং অভিভাবকদের বাড়তি সতর্কতার কোনো বিকল্প নেই।