ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক, পরীক্ষা-নিরীক্ষার আশ্বাস

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:১৫:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদে ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী পক্ষের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের বিরতির আগে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির এক সংসদ সদস্য জুলাই সনদকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে অভিহিত করলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। তার এই মন্তব্যের পরপরই অধিবেশন কক্ষে হইচই শুরু হয়।

বিএনপি সদস্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়ান জামায়াতে ইসলামীর একজন সদস্য। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগের ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে, তাই এই মহান সংসদে জুলাই বিপ্লব নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় অন্য সদস্যরাও হট্টগোল শুরু করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হস্তক্ষেন করেন। তিনি সংসদ সদস্যদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্রে মতভিন্নতা থাকবেই এবং সংসদ সদস্যরা স্পিকারকে সম্বোধন করে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন।

পরবর্তীতে নামাজের বিরতি শেষে সংসদের চিফ হুইপ জানান, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এ বিষয়ে সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, বিতর্কিত মন্তব্যটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে এবং প্রয়োজন হলে তা সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) দেওয়ার যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীতাকুণ্ডে পুকুরে ডুবে ৪ দিনে ৫ শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া

জাতীয় সংসদে ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্ক, পরীক্ষা-নিরীক্ষার আশ্বাস

আপডেট সময় : ০৫:১৫:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে ‘জুলাই সনদ’ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী পক্ষের সদস্যদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের বিরতির আগে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিএনপির এক সংসদ সদস্য জুলাই সনদকে ‘অপ্রয়োজনীয়’ বলে অভিহিত করলে এই পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। তার এই মন্তব্যের পরপরই অধিবেশন কক্ষে হইচই শুরু হয়।

বিএনপি সদস্যের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়ান জামায়াতে ইসলামীর একজন সদস্য। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ত্যাগের ওপর ভিত্তি করেই বর্তমান সরকার গঠিত হয়েছে, তাই এই মহান সংসদে জুলাই বিপ্লব নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ সময় অন্য সদস্যরাও হট্টগোল শুরু করলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ হস্তক্ষেন করেন। তিনি সংসদ সদস্যদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্রে মতভিন্নতা থাকবেই এবং সংসদ সদস্যরা স্পিকারকে সম্বোধন করে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারেন।

পরবর্তীতে নামাজের বিরতি শেষে সংসদের চিফ হুইপ জানান, সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন। ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল এ বিষয়ে সংসদকে আশ্বস্ত করে বলেন, বিতর্কিত মন্তব্যটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে এবং প্রয়োজন হলে তা সংসদীয় কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) দেওয়ার যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।