ঢাকা ০৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

নবীন শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ: নেটওয়ার্কিং ও সক্ষমতা বৃদ্ধি

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাঁদের মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত চার মাসব্যাপী আবাসিক বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ। তিনি বলেন, এই নিবিড় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নবীন শিক্ষকরা নতুন জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি একে অপরের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন। ভবিষ্যতে বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

রবিবার রাতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ও সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য আয়োজিত ৩য় ও ৪র্থ ব্যাচের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাউবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম এবং বিশ্বব্যাংকের কনসালটেন্ট মাহমুদুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন হিট প্রকল্পের পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি’র পরিচালক ও বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের কোর্স পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান। এ সময় বাউবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সাঈদ ফেরদৌস, ইউজিসি সচিব ড. মোঃ ফখরুল ইসলামসহ ইউজিসি, বাউবি ও হিট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীন শিক্ষকরা এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে এসেছেন। দীর্ঘ চার মাসের আবাসিক প্রশিক্ষণ তাঁদের মধ্যে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি করবে। প্রশিক্ষণের অনেক বিষয় হয়তো ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় অর্জন করা সম্ভব, কিন্তু শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা তুলনামূলকভাবে কঠিন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের এই সম্মিলন তাঁদের মধ্যে কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা এ প্রশিক্ষণের অন্যতম বড় প্রাপ্তি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা ও উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণকে অংশগ্রহণমূলক করার পাশাপাশি শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বোয়ালমারীতে বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক: তিন মাসে আক্রান্ত ৭৪ জন

নবীন শিক্ষকদের পেশাগত উন্নয়নে বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ: নেটওয়ার্কিং ও সক্ষমতা বৃদ্ধি

আপডেট সময় : ০৩:১০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং তাঁদের মধ্যে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত চার মাসব্যাপী আবাসিক বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ। তিনি বলেন, এই নিবিড় প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নবীন শিক্ষকরা নতুন জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি একে অপরের সক্ষমতা, অভিজ্ঞতা এবং কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে জানার সুযোগ পাবেন। ভবিষ্যতে বিভিন্ন একাডেমিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই পারস্পরিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা বিনিময় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

রবিবার রাতে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ও সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের জন্য আয়োজিত ৩য় ও ৪র্থ ব্যাচের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বাউবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ছিদ্দিকুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান, প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম এবং বিশ্বব্যাংকের কনসালটেন্ট মাহমুদুল হক বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন হিট প্রকল্পের পরিচালক প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান এবং বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি’র পরিচালক ও বুনিয়াদি প্রশিক্ষণের কোর্স পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান। এ সময় বাউবি উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সাঈদ ফেরদৌস, ইউজিসি সচিব ড. মোঃ ফখরুল ইসলামসহ ইউজিসি, বাউবি ও হিট প্রকল্পের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ আরও বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নবীন শিক্ষকরা এই প্রশিক্ষণে অংশ নিতে এসেছেন। দীর্ঘ চার মাসের আবাসিক প্রশিক্ষণ তাঁদের মধ্যে একটি দৃঢ় বন্ধন তৈরি করবে। প্রশিক্ষণের অনেক বিষয় হয়তো ব্যক্তিগত প্রচেষ্টায় অর্জন করা সম্ভব, কিন্তু শক্তিশালী নেটওয়ার্ক তৈরি করা তুলনামূলকভাবে কঠিন। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের এই সম্মিলন তাঁদের মধ্যে কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করবে, যা এ প্রশিক্ষণের অন্যতম বড় প্রাপ্তি। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই প্রশিক্ষণ শিক্ষকদের শ্রেণিকক্ষ পরিচালনা ও উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণকে অংশগ্রহণমূলক করার পাশাপাশি শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।