ঢাকা ১২:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন বাজেটে উদ্যোক্তাবান্ধব নীতি ও আবাসন ব্যয় কমানোর দাবি

আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং আবাসন খাতের নিবন্ধন ব্যয় কমানোর জোর দাবি জানানো হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ এবং আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা এই দাবি উত্থাপন করেন।

গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত “জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৮: ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠকে বক্তারা বলেন, দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাস্তবমুখী ও দীর্ঘমেয়াদি করনীতি অপরিহার্য।

গোলটেবিল বৈঠকে রিহ্যাব-এর নবনির্বাচিত সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক আবাসন খাতে উচ্চ নিবন্ধন ব্যয়ের সমালোচনা করে বলেন, সীমিত কৃষি জমি রক্ষার স্বার্থে পরিকল্পিত উপায়ে হাইরাইজ বিল্ডিং নির্মাণ জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আবাসন খাত শক্তিশালী হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং একটি আধুনিক ও সুপরিকল্পিত বাংলাদেশ গড়ার পথ সুগম হবে।

একই অনুষ্ঠানে রিহ্যাব-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. মো. হারুন অর রশিদ ফ্ল্যাট দ্বিতীয়বার বিক্রির ক্ষেত্রে কর যৌক্তিকীকরণ এবং উৎসে কর (টিডিএস) কমানোর আহ্বান জানান। তিনি ব্যবসায়ীদের ওপর চলমান চাপের বিষয়টি তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর-এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বাস্তবমুখী, সময়োপযোগী ও ব্যবসাবান্ধব বাজেট প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে উদ্যোক্তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশাকে বাজেটে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য কর সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং উৎপাদন ব্যয় হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, তদন্তে পুলিশ

আসন্ন বাজেটে উদ্যোক্তাবান্ধব নীতি ও আবাসন ব্যয় কমানোর দাবি

আপডেট সময় : ১০:৩৩:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন জাতীয় বাজেটকে সামনে রেখে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালা প্রণয়ন এবং আবাসন খাতের নিবন্ধন ব্যয় কমানোর জোর দাবি জানানো হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ এবং আবাসন খাতের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতারা এই দাবি উত্থাপন করেন।

গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আয়োজিত “জাতীয় বাজেট ২০২৬-২০২৮: ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা” শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব বিষয় উঠে আসে। বৈঠকে বক্তারা বলেন, দেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নত করতে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে বাস্তবমুখী ও দীর্ঘমেয়াদি করনীতি অপরিহার্য।

গোলটেবিল বৈঠকে রিহ্যাব-এর নবনির্বাচিত সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক আবাসন খাতে উচ্চ নিবন্ধন ব্যয়ের সমালোচনা করে বলেন, সীমিত কৃষি জমি রক্ষার স্বার্থে পরিকল্পিত উপায়ে হাইরাইজ বিল্ডিং নির্মাণ জরুরি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আবাসন খাত শক্তিশালী হলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে, কর্মসংস্থান বাড়বে এবং একটি আধুনিক ও সুপরিকল্পিত বাংলাদেশ গড়ার পথ সুগম হবে।

একই অনুষ্ঠানে রিহ্যাব-এর ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. মো. হারুন অর রশিদ ফ্ল্যাট দ্বিতীয়বার বিক্রির ক্ষেত্রে কর যৌক্তিকীকরণ এবং উৎসে কর (টিডিএস) কমানোর আহ্বান জানান। তিনি ব্যবসায়ীদের ওপর চলমান চাপের বিষয়টি তুলে ধরেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনবিআর-এর সাবেক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বাস্তবমুখী, সময়োপযোগী ও ব্যবসাবান্ধব বাজেট প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি কর ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

গোলটেবিল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টস অ্যান্ড বিজনেসমেন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশের শিল্প ও ব্যবসা খাতকে টেকসইভাবে এগিয়ে নিতে উদ্যোক্তাদের সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রত্যাশাকে বাজেটে গুরুত্ব দিতে হবে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য কর সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ এবং উৎপাদন ব্যয় হ্রাসে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।