বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, অতীতে যারা জামায়াতে ইসলামীকে নির্মূল করার চেষ্টা করেছে, তারাই নির্মূল হয়ে গেছে অথবা দেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। তাদের কোনো অস্তিত্ব বর্তমানে খুঁজে পাওয়া যায় না। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভবিষ্যতেও যারা জামায়াত নির্মূলের অপচেষ্টা চালাবে, দেশবাসী তাদেরও নির্মূল করবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক ও আদর্শিক রাজনৈতিক দলকে নির্মূল করার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তা জাতিকে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছে যে বিএনপি ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা ফ্যাসিবাদের পথে হেঁটেছে, তারাই হারিয়ে গেছে। বিএনপিও যদি একই পথে চলে, তবে তাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
গত শনিবার রাতে জামায়াতে ইসলামী সবুজবাগ-মুগদা জোনের উদ্যোগে আয়োজিত সদস্য (রুকন) শিক্ষাশিবির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি বলেন, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের মতো জামায়াতে ইসলামী কেবল একটি গতানুগতিক দল নয়, বরং এটি একটি নিয়মতান্ত্রিক, আদর্শিক এবং সুশৃঙ্খল সংগঠন। জনগণের আগ্রহ, আস্থা ও ভালোবাসা থেকে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মাথা খারাপ হয়ে গেছে, যার কারণে তারাও জামায়াত নির্মূলের লক্ষ্য স্থির করেছে। তবে জামায়াতে ইসলামী নির্মূল হয়নি, হবেও না। জামায়াতে ইসলামী এদেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আপোষহীন ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।
কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মতিউর রহমান আকন্দ বলেন, রাষ্ট্রযন্ত্র, অস্ত্র বা পেশি শক্তি প্রয়োগ করে জামায়াতে ইসলামীকে দমিয়ে রাখা সম্ভব নয়। গণমানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই চালিয়ে যাবে জামায়াতে ইসলামী, যতক্ষণ না মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি বলেন, গণভোটে ৭০ শতাংশ জনগণের রায় উপেক্ষা করে বিএনপি যখন ফ্যাসিবাদের পথে এগোচ্ছে, তখন সংসদে এবং রাজপথে জামায়াতে ইসলামী তাদের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দক্ষিণের সেক্রেটারি ডক্টর শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বলেন, সরকারকে ফ্যাসিবাদের ভূত ধরেছে, যার কারণে সরকারের মন্ত্রীদের মধ্যে এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 




















