ঢাকা ১০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

মেধাসম্পদ সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

গবেষণা ও উদ্ভাবনে উৎকর্ষ অর্জন এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিতকরণ এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তিনি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করারও পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’উদযাপন উপলক্ষ্যে রোববার সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং উদ্ভাবকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইউজিসি এ কর্মশালা আয়োজন করে। এছাড়া, গবেষকদের মেধাস্বত্ব ও পেটেন্টের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সব ধরণের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান। মেধা পাচার দেশের গবেষণা ও উন্নয়নের অন্যতম অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধা পাচাররোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এর পেছনের কারণগুলো খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস উপলক্ষ্যে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মহিদুস সামাদ খান। এছাড়া প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার।

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। মেধাস্বত্ব তৈরি ও সুরক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন মেধাসম্পদ নিয়ে আলোচনা হয়, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা এবং পেটেন্টের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায় সেক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। এছাড়া, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ অর্জনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদেরকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণে ইউজিসিকে আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্ব মেধাসম্পদে আমাদের অংশীদারিত্ব একবারেই নগণ্য। গবেষণা ও উদ্ভাবনে কাজে যে পরিমান অগ্রগ

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ নারী হকি দল: প্রথমবারের মতো এশিয়ান গেমসে অংশগ্রহণ

মেধাসম্পদ সুরক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৮:০৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

গবেষণা ও উদ্ভাবনে উৎকর্ষ অর্জন এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নিতে পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিতকরণ এবং মেধাসম্পদ সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তিনি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিযোগিতা আয়োজন করারও পরামর্শ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস ২০২৬’উদযাপন উপলক্ষ্যে রোববার সকালে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনে আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা এবং উদ্ভাবকদের স্বার্থ সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ইউজিসি এ কর্মশালা আয়োজন করে। এছাড়া, গবেষকদের মেধাস্বত্ব ও পেটেন্টের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সব ধরণের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী জানান। মেধা পাচার দেশের গবেষণা ও উন্নয়নের অন্যতম অন্তরায় হিসেবে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মেধা পাচাররোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এর পেছনের কারণগুলো খুঁজে বের করা প্রয়োজন।

ইউজিসির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ- এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মাছুমা হাবিব। এছাড়া অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউজিসি সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস উপলক্ষ্যে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. মহিদুস সামাদ খান। এছাড়া প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার।

শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মেধাস্বত্ব সুরক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। মেধাস্বত্ব তৈরি ও সুরক্ষায় আমাদের কাজ করতে হবে। সব বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন মেধাসম্পদ নিয়ে আলোচনা হয়, মেধাস্বত্ব সুরক্ষা এবং পেটেন্টের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায় সেক্ষেত্রে সরকার সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে। এছাড়া, বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদ অর্জনকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদেরকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণে ইউজিসিকে আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার অনুপাতে বিশ্ব মেধাসম্পদে আমাদের অংশীদারিত্ব একবারেই নগণ্য। গবেষণা ও উদ্ভাবনে কাজে যে পরিমান অগ্রগ