জেনেভায় নিযুক্ত বাংলাদেশি কূটনীতিকরা সক্রিয় বহুপক্ষীয় কূটনীতির মাধ্যমে নবনির্বাচিত সরকারের এজেন্ডা ও দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্ব দরবারে তুলে ধরছেন। তাঁরা জাতিসংঘের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থায় নিজেদের শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করে প্রচলিত কূটনীতির গণ্ডি পেরিয়ে শান্তি, জলবায়ু পরিবর্তন এবং টেকসই উন্নয়ন সম্পর্কিত বৈশ্বিক নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখছেন।
বাংলাদেশ মিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তাঁদের এই ধারাবাহিক ও সক্রিয় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত বিশ্ব গঠনের অভিন্ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে বহুপক্ষীয় কূটনীতি এগিয়ে নিতে জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের মূল্যবান ও নিরলস প্রচেষ্টাকে বাংলাদেশ শ্রদ্ধা জানায়। ১৯৪৫ সালে এই লক্ষ্য নিয়েই জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি দিবস পালন উপলক্ষে এই মন্তব্য করা হয়। দিবসটি সংলাপ, সহযোগিতা এবং বহুপক্ষীয় সমাধান এগিয়ে নিতে প্রতিনিধিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশ মিশনের মতে, প্রতিনিধিরা সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে বহুপক্ষীয়তার চেতনাকে ধারণ করেন এবং মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন, উন্নয়নগত সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তা হুমকিসহ বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করেন।
এই প্রতিনিধিরাই বহুপক্ষীয় কূটনীতির মূলভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হন। তাঁরা আলোচনা, সমঝোতা ও সমন্বিত কূটনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতিসংঘ ব্যবস্থাকে কার্যকর করে তোলেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এবং জেনেভা, ভিয়েনা, নাইরোবি, রোম ও প্যারিসের কার্যালয়গুলোতে নিজ নিজ দেশের স্বার্থ তুলে ধরার পাশাপাশি মানবাধিকার ও উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে, শান্তি রক্ষা এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগে অংশ নেন।
রিপোর্টারের নাম 





















