পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল পৌঁছানোর আগেই ইরান তাদের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে ফিরিয়ে নিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল দিনভর বৈঠকের পর ইসলামাবাদ ত্যাগ করে। তাদের প্রস্থানের পরপরই মার্কিন প্রতিনিধিদলের আগমনের খবর পাওয়া যায়, যা আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুনThe আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
কাতারের সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামাবাদ ত্যাগের পূর্বে ইরানি প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সরকারের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক দাবিনামা পেশ করেছে। এই দাবিনামায় মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে চলমান সংঘাত অবসানের জন্য তেহরানের পক্ষ থেকে কিছু শর্ত উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট জানিয়েছেন যে, শনিবার (আজ) যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে পৌঁছাবে। এই দলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার উপস্থিত থাকবেন। পাকিস্তান বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। যদিও ইরান সরাসরি মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসতে রাজি হয়নি, তবে পাকিস্তান তেহরানের দাবিগুলো ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি ‘যোগাযোগের সেতু’ হিসেবে কাজ করছে।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের আগমনের মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানি প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করা এবং যুদ্ধ অবসানের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করা। তেহরান তাদের দাবিনামায় নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, পাকিস্তান সরকার মার্কিন প্রতিনিধিদের কাছে ইরানের এই বার্তাগুলো হস্তান্তর করবে। সংঘাত নিরসনে পাকিস্তানের এই কূটনৈতিক তৎপরতা বর্তমানে বিশ্বরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















