ঢাকা ০৯:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা বোর্ডের ১১টি বিশেষ নির্দেশনা জারি

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এই রুটিনের সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১১টি বিশেষ নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে, যা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে; প্রথমে বহুনির্বাচনি (MCQ) এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার জন্য সময় থাকবে ৩০ মিনিট, এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য সময় দেওয়া হবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে, ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত চলবে এবং বহুনির্বাচনি ও সৃজনশীল অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে এবং ১০টা ৩০ মিনিটে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। তবে, ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে সৃজনশীল অংশ সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে শুরু হবে। একইভাবে, দুপুর ২টায় অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে, দুপুর ২টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে এবং ২টা ৩০ মিনিটে সৃজনশীল অংশ শুরু হবে। ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই সময় হবে দুপুর ২টা ২৫ মিনিট।

পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া, প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে অন্তত ৭ দিন পূর্বে সংগ্রহ করতে হবে। উত্তরপত্রে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা বা উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে। পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পত্রে উল্লিখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীতে পারদ ছুঁলো ৪০ ডিগ্রি: তীব্র তাপপ্রবাহে জনজীবনে ত্রাহি অবস্থা

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা বোর্ডের ১১টি বিশেষ নির্দেশনা জারি

আপডেট সময় : ০৭:৪২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। এই রুটিনের সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য ১১টি বিশেষ নির্দেশনাও জারি করা হয়েছে, যা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। পরীক্ষার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে; প্রথমে বহুনির্বাচনি (MCQ) এবং পরে সৃজনশীল/রচনামূলক (তত্ত্বীয়) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার জন্য সময় থাকবে ৩০ মিনিট, এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য সময় দেওয়া হবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। ব্যবহারিক বিষয় সম্বলিত পরীক্ষার ক্ষেত্রে, ২৫ নম্বরের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ২৫ মিনিট এবং ৫০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার জন্য ২ ঘণ্টা ৩৫ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে। পরীক্ষা বিরতিহীনভাবে প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় পর্যন্ত চলবে এবং বহুনির্বাচনি ও সৃজনশীল অংশের মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না।

সকাল ১০টায় শুরু হওয়া পরীক্ষার ক্ষেত্রে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে। সকাল ১০টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে এবং ১০টা ৩০ মিনিটে সৃজনশীল প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হবে। তবে, ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে সৃজনশীল অংশ সকাল ১০টা ২৫ মিনিটে শুরু হবে। একইভাবে, দুপুর ২টায় অনুষ্ঠেয় পরীক্ষার ক্ষেত্রে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে উত্তরপত্র ও ওএমআর শিট বিতরণ করা হবে, দুপুর ২টায় এমসিকিউ প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে এবং ২টা ৩০ মিনিটে সৃজনশীল অংশ শুরু হবে। ২৫ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার ক্ষেত্রে এই সময় হবে দুপুর ২টা ২৫ মিনিট।

পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। এছাড়া, প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে তাদের প্রবেশপত্র নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান প্রধানের নিকট হতে অন্তত ৭ দিন পূর্বে সংগ্রহ করতে হবে। উত্তরপত্রে পরীক্ষার রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, বিষয় কোড ইত্যাদি যথাযথভাবে লিখে বৃত্ত ভরাট করতে হবে এবং কোনো অবস্থাতেই মার্জিনের মধ্যে লেখা বা উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না। তত্ত্বীয়, বহুনির্বাচনি ও ব্যবহারিক অংশে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) পৃথকভাবে পাস করতে হবে। পরীক্ষার্থী কেবল রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও প্রবেশ পত্রে উল্লিখিত বিষয়/বিষয়সমূহের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।