দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে সরকার একটি সুদূরপ্রসারী ৫ বছর মেয়াদী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নের জন্য প্রথম ১৮০ দিন, ২০২৬-২৭ অর্থবছর এবং আগামী ৫ বছরের জন্য এই পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে গণতন্ত্র, সুশাসন, অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও মানবিক মূল্যবোধের সমন্বিত বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এর মধ্যে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, আইনের শাসন, মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন, বিনিয়োগ ও শিল্পায়ন বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও সামাজিক সুরক্ষা খাতে উন্নয়ন জোরদার করে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এছাড়াও, পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শনকে বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ, জাতীয় নিরাপত্তা এবং জনগণের কল্যাণকে সর্বাগ্রে প্রাধান্য দেওয়ার লক্ষ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সমতা, ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে বাংলাদেশকে একটি আত্মমর্যাদাশীল রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।
একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মর্যাদাশীল বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল ও নদী খনন এবং পুনঃখননের কার্যক্রম, প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের পরিবারের জন্য ফ্যামিলি কার্ড প্রদান, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, মসজিদ, মন্দির, বৌদ্ধ বিহার, প্যাগোডা ও গির্জায় কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য সম্মানি ও উৎসব ভাতা, ক্রীড়াবিদদের জন্য ক্রীড়া কার্ড ও ভাতা প্রদান, ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ ইত্যাদি।
রিপোর্টারের নাম 





















