ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

সাফল্যের প্রচারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি: সমন্বয়হীনতার প্রশ্ন

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

বর্তমান সরকারের প্রথম দুই মাসের সফলতার খতিয়ান তুলে ধরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের ৬০ দিনের অর্জন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখাকে বড় সাফল্য হিসেবে দাবি করা হলেও, ওই দিন সন্ধ্যায়ই লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসে। এতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সপ্তাহখানেক আগেই সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে, অন্তত এপ্রিল মাসে তেলের দাম বাড়বে না। কিন্তু আইএমএফের ঋণের শর্ত এবং বাজেটে ভর্তুকি কমানোর চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে আইএমএফের চাপের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক এই সংস্থার সঙ্গে ঋণের কিস্তি নিয়ে সরকারের কিছু বিষয়ে মতবিরোধের কথা খোদ অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেছেন। জ্বালানি তেলের এই দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ ও নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ এখন উদ্বিগ্ন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

সাফল্যের প্রচারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি: সমন্বয়হীনতার প্রশ্ন

আপডেট সময় : ১০:২৭:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

বর্তমান সরকারের প্রথম দুই মাসের সফলতার খতিয়ান তুলে ধরার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সরকারের ৬০ দিনের অর্জন নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের দাম স্থিতিশীল রাখাকে বড় সাফল্য হিসেবে দাবি করা হলেও, ওই দিন সন্ধ্যায়ই লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর ঘোষণা আসে। এতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বয়ের অভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সপ্তাহখানেক আগেই সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করা হয়েছিল যে, অন্তত এপ্রিল মাসে তেলের দাম বাড়বে না। কিন্তু আইএমএফের ঋণের শর্ত এবং বাজেটে ভর্তুকি কমানোর চাপের মুখে এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে আইএমএফের চাপের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে, তবে আন্তর্জাতিক এই সংস্থার সঙ্গে ঋণের কিস্তি নিয়ে সরকারের কিছু বিষয়ে মতবিরোধের কথা খোদ অর্থমন্ত্রী স্বীকার করেছেন। জ্বালানি তেলের এই দাম বৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ ও নিত্যপণ্যের দাম আরও বাড়ার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ এখন উদ্বিগ্ন।