ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা, ভাগিনাসহ আটক ৩

নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডে একই পরিবারের চার সদস্যকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে এই মর্মান্তিক ঘটনার শিকার চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন—গরু ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি রানী (২৫), তাদের ৯ বছর বয়সী ছেলে পারভেজ এবং ৩ বছরের শিশু কন্যা সাদিয়া। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহত হাবিবুরের ভাগিনা সবুজ হোসেনসহ তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে নিজ বাড়িতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। মঙ্গলবার ভোরে প্রতিবেশীরা বাড়ির দরজা খোলা দেখে ভেতরে প্রবেশ করলে চারজনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ ধারণা করছে, হাবিবুর রহমান পেশায় গরু ব্যবসায়ী হওয়ায় তার কাছে থাকা মোটা অঙ্কের টাকা লুটের উদ্দেশ্যে অথবা জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

নিহত হাবিবুরের পরিবারের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাদের আগে থেকেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় নওগাঁর পুলিশ সুপার জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নৃশংস এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোক ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

নওগাঁয় একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা, ভাগিনাসহ আটক ৩

আপডেট সময় : ০৬:০৫:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নওগাঁর নিয়ামতপুরে এক লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডে একই পরিবারের চার সদস্যকে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রাম থেকে এই মর্মান্তিক ঘটনার শিকার চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতরা হলেন—গরু ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান (৩২), তার স্ত্রী পপি রানী (২৫), তাদের ৯ বছর বয়সী ছেলে পারভেজ এবং ৩ বছরের শিশু কন্যা সাদিয়া। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নিহত হাবিবুরের ভাগিনা সবুজ হোসেনসহ তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে নিজ বাড়িতে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। মঙ্গলবার ভোরে প্রতিবেশীরা বাড়ির দরজা খোলা দেখে ভেতরে প্রবেশ করলে চারজনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ ধারণা করছে, হাবিবুর রহমান পেশায় গরু ব্যবসায়ী হওয়ায় তার কাছে থাকা মোটা অঙ্কের টাকা লুটের উদ্দেশ্যে অথবা জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

নিহত হাবিবুরের পরিবারের দাবি, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে তাদের আগে থেকেই প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। এই ঘটনায় নওগাঁর পুলিশ সুপার জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। নৃশংস এই ঘটনায় এলাকায় গভীর শোক ও চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।