ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

জ্বালানি খাতে নতুন দিগন্ত: তিতাসে দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপের খনন শুরু

দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন কার্যক্রম। রোববার দুপুরে সদর উপজেলার বুধল এলাকায় এই খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ. কে. এম. মিজানুর রহমান। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ২২টি কূপ থেকে প্রতিদিন ৩২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বিদ্যমান কূপগুলোর গভীরতা ৩ হাজার ৭০০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়ায় এবং দীর্ঘদিনের উত্তোলনে মজুত কমে আসায় নতুন এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীরতার এই নতুন ৩১ নম্বর কূপটি খনন করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯৪ কোটি টাকা। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি আগামী সাত মাসের মধ্যে এই খনন কাজ সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, থ্রিডি সাইসমিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী এই কূপে এক থেকে দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকতে পারে। এই গভীর অনুসন্ধান সফল হলে ভবিষ্যতে আরও সাতটি কূপ খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে চলতি বছরের মধ্যেই মোট ৫০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুক্তি না মানলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

জ্বালানি খাতে নতুন দিগন্ত: তিতাসে দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপের খনন শুরু

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

দেশের জ্বালানি সংকট নিরসনে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস ফিল্ডে প্রথমবারের মতো শুরু হয়েছে গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন কার্যক্রম। রোববার দুপুরে সদর উপজেলার বুধল এলাকায় এই খনন কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) এ. কে. এম. মিজানুর রহমান। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত তিতাস গ্যাস ফিল্ডের ২২টি কূপ থেকে প্রতিদিন ৩২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে বিদ্যমান কূপগুলোর গভীরতা ৩ হাজার ৭০০ মিটারের মধ্যে সীমাবদ্ধ হওয়ায় এবং দীর্ঘদিনের উত্তোলনে মজুত কমে আসায় নতুন এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীরতার এই নতুন ৩১ নম্বর কূপটি খনন করতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯৪ কোটি টাকা। চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি আগামী সাত মাসের মধ্যে এই খনন কাজ সম্পন্ন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, থ্রিডি সাইসমিক জরিপের তথ্য অনুযায়ী এই কূপে এক থেকে দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত থাকতে পারে। এই গভীর অনুসন্ধান সফল হলে ভবিষ্যতে আরও সাতটি কূপ খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। পেট্রোবাংলা জানিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে চলতি বছরের মধ্যেই মোট ৫০টি নতুন কূপ খননের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।