ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

হামলা সত্ত্বেও ইরানের উল্লেখযোগ্য সমরাস্ত্র অক্ষত, নেপথ্যে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েক সপ্তাহের টানা হামলা সত্ত্বেও ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও সমরাস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো অক্ষত রয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তারা। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান এখনো তার শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে দেশটির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের তুলনায় ইরানের বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ ড্রোন এবং ৬০ শতাংশের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক সচল রয়েছে। সম্প্রতি দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি চলাকালে ইরান তাদের পাহাড়ের গুহা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে লুকিয়ে রাখা শতাধিক উৎক্ষেপক ব্যবস্থা পুনরায় উদ্ধার করেছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, দেশটি অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হামলার শিকার হওয়া বিভিন্ন ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ও ডিপোর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে ইরান। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এই উদ্ধার অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হলে ইরান তাদের যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অস্ত্রের প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পুনরায় সচল করতে সক্ষম হবে। মূলত সমরাস্ত্র সুরক্ষায় ইরানের দীর্ঘমেয়াদী কৌশল ও ভূগর্ভস্থ শক্তিশালী নেটওয়ার্কের কারণেই বড় ধরনের হামলা সত্ত্বেও তারা এই সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবলিক পরীক্ষায় দীর্ঘদিনের ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা বাতিল

হামলা সত্ত্বেও ইরানের উল্লেখযোগ্য সমরাস্ত্র অক্ষত, নেপথ্যে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন

আপডেট সময় : ১১:০২:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কয়েক সপ্তাহের টানা হামলা সত্ত্বেও ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও সমরাস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো অক্ষত রয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন গোয়েন্দা ও সামরিক কর্মকর্তারা। নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইরান এখনো তার শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে দেশটির ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের আগের তুলনায় ইরানের বর্তমানে প্রায় ৪০ শতাংশ ড্রোন এবং ৬০ শতাংশের বেশি ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক সচল রয়েছে। সম্প্রতি দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি চলাকালে ইরান তাদের পাহাড়ের গুহা ও ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে লুকিয়ে রাখা শতাধিক উৎক্ষেপক ব্যবস্থা পুনরায় উদ্ধার করেছে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, দেশটি অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে তাদের সামরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধারে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, হামলার শিকার হওয়া বিভিন্ন ভূগর্ভস্থ স্থাপনা ও ডিপোর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো উদ্ধারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে ইরান। সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা, এই উদ্ধার অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হলে ইরান তাদের যুদ্ধ-পূর্ববর্তী অস্ত্রের প্রায় ৭০ শতাংশ পর্যন্ত পুনরায় সচল করতে সক্ষম হবে। মূলত সমরাস্ত্র সুরক্ষায় ইরানের দীর্ঘমেয়াদী কৌশল ও ভূগর্ভস্থ শক্তিশালী নেটওয়ার্কের কারণেই বড় ধরনের হামলা সত্ত্বেও তারা এই সক্ষমতা ধরে রাখতে পেরেছে।