ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরানি জাহাজের ওপর বিশ্বব্যাপী নৌ-অবরোধ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধের পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইতিমধ্যে ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে ১২টির বেশি যুদ্ধজাহাজ, ১০ হাজারেরও বেশি সেনা এবং উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, চলমান এই অবরোধের আওতায় এখন পর্যন্ত ইরান সংশ্লিষ্ট অন্তত ২৩টি জাহাজকে তাদের গন্তব্য পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছে। তবে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই অবরোধ কেবল ইরানের আঞ্চলিক বন্দরগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা ইরান-সংযুক্ত জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসন এমন একটি নীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে যার মাধ্যমে সন্দেহভাজন জাহাজগুলোকে মাঝসমুদ্রে থামিয়ে তল্লাশি এবং প্রয়োজনে জব্দ করা হবে। এই ধরনের জটিল অভিযানে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নেভি সিল বা মেরিন সদস্যরা হেলিকপ্টারের মাধ্যমে জাহাজে অবতরণ করে নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবলিক পরীক্ষায় দীর্ঘদিনের ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা বাতিল

ইরানি জাহাজের ওপর বিশ্বব্যাপী নৌ-অবরোধ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ১০:৫৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধের পরিধি আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইতিমধ্যে ইরানের বন্দরগুলোকে ঘিরে ১২টির বেশি যুদ্ধজাহাজ, ১০ হাজারেরও বেশি সেনা এবং উন্নত প্রযুক্তির যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, চলমান এই অবরোধের আওতায় এখন পর্যন্ত ইরান সংশ্লিষ্ট অন্তত ২৩টি জাহাজকে তাদের গন্তব্য পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়েছে। তবে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই অবরোধ কেবল ইরানের আঞ্চলিক বন্দরগুলোতে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে থাকা ইরান-সংযুক্ত জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রশাসন এমন একটি নীতি গ্রহণ করতে যাচ্ছে যার মাধ্যমে সন্দেহভাজন জাহাজগুলোকে মাঝসমুদ্রে থামিয়ে তল্লাশি এবং প্রয়োজনে জব্দ করা হবে। এই ধরনের জটিল অভিযানে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নেভি সিল বা মেরিন সদস্যরা হেলিকপ্টারের মাধ্যমে জাহাজে অবতরণ করে নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পদক্ষেপ বাস্তবায়ন হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হতে পারে।