দেশের বিভিন্ন স্থানে আকস্মিক বজ্রপাতে অন্তত ১১ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরে ও বিকেলে সুনামগঞ্জ, রংপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা এবং হবিগঞ্জ জেলায় এই প্রাণঘাতী ঘটনাগুলো ঘটে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে পাঁচজন, রংপুরে দুজন, ময়মনসিংহে দুজন, নেত্রকোনায় একজন এবং হবিগঞ্জে একজন নিহত হয়েছেন।
রংপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, জেলার মিঠাপুকুর উপজেলায় বজ্রপাতে দুই কৃষকের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন অন্তত আরও ১২ জন। শনিবার দুপুরে উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের পাগলাবাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, উপজেলার সখীপুর গ্রামের তালেব উদ্দিন (৬০) ও মিলন (৩৫) নামে দুই কৃষক স্থানীয় একটি পুকুরে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। আকাশ মেঘলা হয়ে এলে তারা পুকুরের পাশে একটি টিনের ছাউনিতে আশ্রয় নেন। এ সময় বিকট শব্দে বজ্রপাত হলে ছাউনিতে থাকা ওই দুই কৃষকসহ অন্তত ১২ জন বজ্রপাতের শিকার হন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয়রা আহতদের অ্যাম্বুলেন্সযোগে হাসপাতালে নিয়ে যান। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তালেব উদ্দিন ও মিলনকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। মিঠাপুকুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের লিডার মো. আশরাফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
হবিগঞ্জ (নবীগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, নবীগঞ্জ উপজেলার বিবিয়ানা নদীর তীরে মমিনা হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে শনিবার দুপুরে বজ্রপাতের কবলে পড়ে সুনাম উদ্দিন (৩৫) নামের এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন। নিহত সুনাম উদ্দিন রামপুর গ্রামের সুন্দর আলী পীর সাহেবের ছেলে।
এই ঘটনাগুলো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
রিপোর্টারের নাম 




















