ঢাকা ১০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

পলকের নির্দেশেই জুলাই মাসে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:১১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

গত জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সরাসরি নির্দেশেই সারাদেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এক জবানবন্দিতে বিটিআরসির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনাল-১-এ চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে তিনি তার বক্তব্য তুলে ধরেন।

সাক্ষী জানান, ১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে তৎকালীন বিটিআরসি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পলক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয় এবং সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয়। সেই রাতেই আনুমানিক ৯টার দিকে সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।

জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, ১৮ জুলাই রাত ৯টা থেকে ২৩ জুলাই বিকেল পর্যন্ত দেশ সম্পূর্ণ ইন্টারনেটহীন ছিল। পরবর্তীতে ২৩ জুলাই একটি সভার মাধ্যমে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটক বন্ধ রেখে সীমিত পরিসরে ইন্টারনেট চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় এই সাক্ষ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান যুক্তরাজ্যের, আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত

পলকের নির্দেশেই জুলাই মাসে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়: ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য

আপডেট সময় : ০৮:১১:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

গত জুলাই মাসে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের সরাসরি নির্দেশেই সারাদেশে ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দেওয়া এক জবানবন্দিতে বিটিআরসির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার ট্রাইব্যুনাল-১-এ চতুর্থ সাক্ষী হিসেবে তিনি তার বক্তব্য তুলে ধরেন।

সাক্ষী জানান, ১৮ জুলাই সন্ধ্যা ৭টার দিকে তৎকালীন বিটিআরসি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে পলক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয় এবং সংশ্লিষ্ট অপারেটরদের কার্যক্রম বন্ধ করতে বলা হয়। সেই রাতেই আনুমানিক ৯টার দিকে সারাদেশে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়।

জবানবন্দিতে আরও বলা হয়, ১৮ জুলাই রাত ৯টা থেকে ২৩ জুলাই বিকেল পর্যন্ত দেশ সম্পূর্ণ ইন্টারনেটহীন ছিল। পরবর্তীতে ২৩ জুলাই একটি সভার মাধ্যমে ফেসবুক, ইউটিউব ও টিকটক বন্ধ রেখে সীমিত পরিসরে ইন্টারনেট চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জুলাইয়ের গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়ায় এই সাক্ষ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।