ঢাকা ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

‘হাসপাতাল নিজেই যেন এক মুম্মূর্ষু রোগী’, সংসদে সরাইল হাসপাতালের বেহাল দশা তুলে ধরলেন রুমিন ফারহানা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:১৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার করুণ চিত্র জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি জানান, নয়টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি এখন নিজেই ‘রোগী’র মতো ধুঁকছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় জনবল, ওষুধ এবং আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির তীব্র সংকটে সরাইলবাসী যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে। হাসপাতালটির আধুনিকায়নে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া থাকলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ ফেলে পালিয়ে গেছেন। ফলে বর্তমানে একটি পুরনো জরাজীর্ণ দোতলা ভবনে কোনোমতে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিশাল এই জনগোষ্ঠীর জন্য মাত্র ৫০টি শয্যা কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়। জরুরি ভিত্তিতে শূন্যপদে নিয়োগ প্রদান, ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং থমকে যাওয়া নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করার জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

‘হাসপাতাল নিজেই যেন এক মুম্মূর্ষু রোগী’, সংসদে সরাইল হাসপাতালের বেহাল দশা তুলে ধরলেন রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় : ০২:১৪:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার করুণ চিত্র জাতীয় সংসদে তুলে ধরেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তিনি জানান, নয়টি ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে তিন লাখ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা ৫০ শয্যার এই হাসপাতালটি এখন নিজেই ‘রোগী’র মতো ধুঁকছে। পর্যাপ্ত চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় জনবল, ওষুধ এবং আধুনিক চিকিৎসা যন্ত্রপাতির তীব্র সংকটে সরাইলবাসী যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সংসদে দেওয়া বক্তব্যে রুমিন ফারহানা বলেন, সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে ৬৪টি পদ শূন্য রয়েছে। হাসপাতালটির আধুনিকায়নে ১০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া থাকলেও রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার কাজ ফেলে পালিয়ে গেছেন। ফলে বর্তমানে একটি পুরনো জরাজীর্ণ দোতলা ভবনে কোনোমতে চিকিৎসা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বিশাল এই জনগোষ্ঠীর জন্য মাত্র ৫০টি শয্যা কোনোভাবেই পর্যাপ্ত নয়। জরুরি ভিত্তিতে শূন্যপদে নিয়োগ প্রদান, ওষুধের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং থমকে যাওয়া নির্মাণকাজ পুনরায় শুরু করার জন্য তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।