ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় শুরু হওয়া শান্তি আলোচনা কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, দীর্ঘ ২১ ঘণ্টার নিবিড় আলোচনার পরও দুই পক্ষ কোনো সাধারণ ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে পুনরায় বড় ধরনের সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার ধ্বংস করা। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর উৎসাহে শুরু হওয়া এই অভিযানে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হয়নি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোর কিছু ক্ষতি হয়েছে, তবে দেশটির কাছে এখনো উচ্চসমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের বিশাল মজুত রয়ে গেছে।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো দাবি করেছে, যুদ্ধে সামরিক ও কৌশলগতভাবে সুবিধা করতে না পেরে যুক্তরাষ্ট্র এখন আলোচনার টেবিল থেকে সরে যাওয়ার অজুহাত খুঁজছে। দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পথে থাকায় আন্তর্জাতিক মহল এখন চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। শান্তি প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় এই অঞ্চলে একটি দীর্ঘমেয়াদী এবং ভয়াবহ যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনীভূত হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 






















