ঢাকা ১০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬
জাতীয়

শিক্ষাখাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি: জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে শিক্ষাখাতে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে ৪৯ হাজার ৪০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের

ব্যক্তি করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত, পাঁচ বছরের কর নীতি ঘোষণা

আগামী অর্থবছরের জন্য ব্যক্তি পর্যায়ে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে, এই পরিমাণ পর্যন্ত

নতুন অর্থবছরের বাজেটে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি, ঋণনির্ভর অর্থনীতিতে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার একটি বিশাল বাজেট প্রস্তাব করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এই বিপুল

দোকানপাট খোলার নতুন সময় নির্ধারণ: এখন রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা থাকবে

ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার দোকানপাট ও বিপণিবিতান খোলা রাখার সময় বাড়িয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বেলা ১১টা থেকে

খেলাপি ঋণ বেড়ে ৬ লাখ ৪৪ হাজার কোটি টাকা: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০০৫ সালে খেলাপি ঋণের হার ছিল ১৩.১৬ শতাংশ, যা চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম প্রান্তিকে

ইউপি চেয়ারম্যান হতে চান? আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক হচ্ছে

আগামীতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হলে প্রার্থীদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। এই শর্ত

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য: ৬০ পণ্যে উৎসে কর হ্রাস

আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৭.৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় ও

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দের প্রস্তাব বৃদ্ধি: উৎসে কর কমানোর উদ্যোগ

নতুন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের জন্য ১৭ হাজার ৩৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে, যা বিগত

মাত্র ২০ বছরে সুদ পরিশোধে সরকারি ব্যয় বেড়েছে ১৩ গুণের বেশি

দেশের সুদ পরিশোধে সরকারি ব্যয়ের পরিমাণ গত দুই দশকে উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে

মাত্র ১৮ বছরে বিদেশি ঋণ ৬ গুণের বেশি বেড়ে ৮ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা হয়েছে

দেশের বিদেশি ঋণের পরিমাণ উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ২০০৬ সালে যেখানে বিদেশি ঋণের পরিমাণ