বলিউডের ইতিহাসের অন্যতম চর্চিত ও বিতর্কিত অধ্যায় সালমান খান এবং ঐশ্বরিয়া রাইয়ের অতীত প্রেম। ১৯৯৯ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমার শুটিং চলাকালে গড়ে ওঠা এই সম্পর্ক অল্প সময়ের মধ্যেই তিক্ততায় রূপ নেয়। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই জুটির পুরোনো একটি সাক্ষাৎকার নতুন করে ভাইরাল হওয়ায় তাঁদের বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে ফের আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া সাক্ষাৎকারে প্রবীণ সাংবাদিক প্রভু চাওলার মুখোমুখি হয়ে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক ও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে কথা বলেন সালমান খান। প্রভু চাওলা প্রশ্ন করেন, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনে নারীদের সঙ্গে কেন বারবার টানাপোড়েন তৈরি হয় এবং ঐশ্বরিয়ার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছিল কি না। জবাবে সালমান সংক্ষেপে বলেন, ‘তিনি আমার ভালো বন্ধু ছিলেন, এখন আর বন্ধুত্ব নেই। ব্যস, এতটুকুই।’
সাক্ষাৎকারের একপর্যায়ে সাংবাদিক গায়ে হাত তোলার অভিযোগ উত্থাপন করলে দৃশ্যত ক্ষোভ প্রকাশ করেন সালমান। টেবিলের ওপর সজোরে হাত চাপড়ে তিনি পালটা প্রশ্ন ছোড়েন, ‘আমি যদি সত্যিই হাতাহাতি বা মারধর করতাম, যেমনটা টেবিলে করলাম—তবে এমন আঘাত কি কেউ সহ্য করতে পারত?’ এর মাধ্যমে সালমান দাবি করেন, গণমাধ্যমে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে বিষয়গুলো বাড়িয়ে চড়িয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।
তবে বিচ্ছেদের পর দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সম্পূর্ণ বিপরীত বক্তব্য দিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। তিনি অভিযোগ করেছিলেন, সম্পর্কের শেষ দিকে সালমান তাঁকে ফোন করে অসৌজন্যমূলক আচরণ করতেন এবং একাধিকবার তাঁর গায়ে হাতও তুলেছিলেন। কোনো চিহ্ন না থাকায় সেই আঘাত আড়াল করেই তাঁকে পরদিন শুটিংয়ে অংশ নিতে হতো বলে সে সময় দাবি করেছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী।
























