যুবসমাজকে দেশের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে অভিহিত করে তাদের কর্মমুখী করে গড়ে তোলার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হলে যুবসমাজকে যথাযথভাবে কর্মমুখী করতে হবে এবং তাদের হাতেই উৎপাদনের নিয়ন্ত্রণ তুলে দিতে হবে। শুধু রাজনৈতিক বিপ্লবের মাধ্যমে পরিবর্তন আনলেই চলবে না; এর পাশাপাশি দেশ গঠনেও সবাইকে সমান ভূমিকা পালন করতে হবে।
রোববার সকালে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “আমরা দেশে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘ সংগ্রাম করেছি। এখন আমাদের লড়াই এই দেশকে গড়ে তোলার। বিল্ড দিস কান্ট্রি, বিল্ড দিস নেশন।”
স্মৃতিচারণ করে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “অনুষ্ঠানে আসার পথে বাঁ দিকে তাকিয়ে জাতীয় সংসদ ভবন দেখে মনে পড়ল, ১৯৭৭ সালে ক্ষণজন্মা রাষ্ট্রনায়ক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম সেখানে যুব কনভেনশনের আয়োজন করেছিলেন। তারই হাত ধরে যুব মন্ত্রণালয়, যুব অধিদপ্তর ও যুব কমপ্লেক্সের ভিত্তি রচিত হয়েছিল। আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।”
তিনি আরও যোগ করেন, “ডান দিকে তাকাতেই চোখে পড়ল শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং আমাদের গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাজার। মনে পড়ে গেল, যুব ও নারীদের প্রশিক্ষিত করতে প্রতিটি জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তুলেছিলেন দেশনেত্রী। তাঁর প্রতিও রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।”
দেশের ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের কথা তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান জনসংখ্যার সিংহভাগই তরুণ ও যুবসমাজ, যা জাতীয় উন্নয়নের জন্য এক বিরাট সম্ভাবনা। এই তরুণ শক্তিকে যথাযথভাবে সম্পদে রূপান্তর করতে পারলে দেশ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাবে।
এলডিসি উত্তরণের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণের প্রস্তুতি হিসেবে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য। আর এই রূপান্তরের মূল কারিগর হবে তরুণ প্রজন্ম। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশ গড়ার কাজে যুবসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।






















