মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সমন্বিত ও পূর্ণ সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে শান্তি, নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা এবং খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তার বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসে অবস্থিত আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব অ্যান্টিগুয়ায় (এইউএ) আয়োজিত কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের (সিএফএএমএম) রিট্রিট সেশনে অংশ নিয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বক্তব্য দেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল রূপ ধারণ করেছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহার সুনিশ্চিত করা ও সার্বিক জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদেক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’ দ্রুত কার্যকরের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
একই সঙ্গে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক অর্থনৈতিক সদ্ব ভাব ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে একটি আধুনিক ও সমন্বিত আন্তর্জাতিক কাঠামো গড়ে তোলার তাগিদ দেন তিনি।
রোহিঙ্গা সংকট নিরসন প্রসঙ্গে হুমায়ুন কবির সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমিতে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনই এ অঞ্চলের দীর্ঘস্থায়ী শান্তির উপায়। আর এ লক্ষ্য অর্জনে কমনওয়েলথের শক্ত সমর্থন প্রয়োজন। উল্লেখ্য, ১ থেকে ৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের সম্মেলনে (সিএইচওজিএম) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।





















