যুবসমাজকে যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি ও অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা, জাতীয় সংকট উত্তরণ এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের অবদান চিরকাল অনস্বীকার্য।
রোববার অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাণীতে তিনি স্মরণ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতি গঠনে যুবসমাজের বিপুল সম্ভাবনা উপলব্ধি করে তাদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। তাঁর নির্দেশনায় ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়, যা পরবর্তী সময়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় নামে পরিচিতি লাভ করে। এছাড়া তৃণমূল পর্যায়ে যুব কার্যক্রম বাস্তবায়নে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী আরও স্মরণ করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯১ সালে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং তাদের কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের সব জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন। তিনি জানান, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এ পর্যন্ত ৮০ লাখেরও বেশি তরুণ-তরুণীকে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। যুব উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন অপরিহার্য। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে তরুণরা ঘরে বসেই বৈদেশিক মুদ্রা আয় করছেন। পাশাপাশি স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পরিবেশবান্ধব বায়োগ্যাস প্রযুক্তির প্রসারে যুবসমাজকে অগ্রণী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
























