মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
০৭:২৫ অপরাহ্ন | ২রা নভেম্বর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | সোমবার, ১৭ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

পাহাড়ে সম্প্রীতির শেষ আশ্রয়ও কি সাম্প্রদায়িকতার দখলে?

  • হালনাগাদ সময় : ০৫:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

পাহাড় মানেই বৈচিত্র্য। নৈসর্গিক সৌন্দর্য, বহুজাতিক সংস্কৃতি, ভিন্ন ভাষা, জীবনধারা ও সম্প্রীতির এক অপার সম্ভাবনা। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই তিন জেলা নিয়ে বিস্তৃত পার্বত্য চট্টগ্রাম শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

তবে এই অপরূপ সৌন্দর্যের আড়ালে দীর্ঘ দিন ধরে জমে রয়েছে সংঘাত, অবিশ্বাস, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও রক্তপাতের ইতিহাস। স্বার্থের দ্বন্দ্ব এবং সশস্ত্র তৎপরতা পাহাড়ের সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে বারবার বিপর্যস্ত করেছে। সীমান্ত নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীকেও প্রতিনিয়ত কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি এমন একটি সামাজিক ভিত্তি গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে জাতিগত পরিচয়ের চেয়ে মানুষের মূল পরিচয় হবে ‘মানুষ’। আর এই সেতুবন্ধন তৈরিতে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির অবদান অপরিসীম।

পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিভাজনের হাতিয়ার না বানিয়ে জাতীয় সম্পদে পরিণত করা গেলে এটি হতে পারত অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত। বর্তমান সরকারের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের উদ্যোগ ‘নতুন কুঁড়ি’ পাহাড়ের শিশু-কিশোরদের জন্য সেই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিচ্ছে।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

মাঠ উদ্ধারে শেকৃবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, ভাঙা হলো বাণিজ্য মেলার ফটক

02 November 2026

মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের চেষ্টা, কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ ও গ্রেপ্তার ২৯

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

পাহাড়ে সম্প্রীতির শেষ আশ্রয়ও কি সাম্প্রদায়িকতার দখলে?

হালনাগাদ সময় : ০৫:৪৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

পাহাড় মানেই বৈচিত্র্য। নৈসর্গিক সৌন্দর্য, বহুজাতিক সংস্কৃতি, ভিন্ন ভাষা, জীবনধারা ও সম্প্রীতির এক অপার সম্ভাবনা। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান—এই তিন জেলা নিয়ে বিস্তৃত পার্বত্য চট্টগ্রাম শুধু প্রাকৃতিক সম্পদ ও সৌন্দর্যের জন্য নয়, আন্তর্জাতিক পর্যায়েও বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।

তবে এই অপরূপ সৌন্দর্যের আড়ালে দীর্ঘ দিন ধরে জমে রয়েছে সংঘাত, অবিশ্বাস, আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও রক্তপাতের ইতিহাস। স্বার্থের দ্বন্দ্ব এবং সশস্ত্র তৎপরতা পাহাড়ের সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনকে বারবার বিপর্যস্ত করেছে। সীমান্ত নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিরাপত্তা বাহিনীকেও প্রতিনিয়ত কঠিন পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি এমন একটি সামাজিক ভিত্তি গড়ে তোলা প্রয়োজন, যেখানে জাতিগত পরিচয়ের চেয়ে মানুষের মূল পরিচয় হবে ‘মানুষ’। আর এই সেতুবন্ধন তৈরিতে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির অবদান অপরিসীম।

পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিভাজনের হাতিয়ার না বানিয়ে জাতীয় সম্পদে পরিণত করা গেলে এটি হতে পারত অসাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত। বর্তমান সরকারের খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিভা বিকাশের উদ্যোগ ‘নতুন কুঁড়ি’ পাহাড়ের শিশু-কিশোরদের জন্য সেই সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলে দিচ্ছে।

Share this news as a Photo Card